চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আট মাস পর আবারও চালু স্বাস্থ্য বুলেটিন

দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতির সার্বিক বিষয় নিয়ে আট মাস পর আবারও অনলাইনে স্বাস্থ্য বুলেটিন চালু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আজ রোববার এই বুলেটিনে এসেছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র নাজমুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বুলেটিনে তিনি বলেন, দেশের সকল মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ করেন। পাশাপাশি করোনা রোগীদের জন্য দেশের জেলা ও মেডিকেল হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবং প্রতিটি জেলা উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালে করোনা রোগীর চিকিৎসার আয়োজন রয়েছে।

লকডাউন করোনা প্রতিরোধে একটি হাতিয়ার জানিয়ে নাজমুল ইসলাম বলেন, লকডাউনে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন রোধ করা যায়। এটি একটি স্পষ্ট হাতিয়ার যা আমাদের আক্রান্ত হওয়াকেও কমিয়ে দেয়। বর্তমানে আমাদের যে ঊর্ধ্বগতি সংক্রমণ তা এভাবেই থামিয়ে দেওয়া যাবে বলে আশা করি।

সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে দেশের মৃত্যুও বেড়েছে। প্রতিটি মৃত্যু কষ্টের, মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই মুখপাত্র।

তিনি বলেন, মৃত্যুর মিছিল থামাতে হলে আমাদের সংক্রমণের শৃঙ্খল ভেঙ্গে দিতে হবে। নতুন করে দ্বিতীয় ঢেউতে আমরা দেখতে পাচ্ছি ষাটোর্ধ্বের পাশাপাশি চল্লিশোর্ধ্বরাও বেশি মারা যাচ্ছে। তাই তাদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত ১৪ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম এক ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে বুলেটিন ফের চালু হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছিলেন।

সে সময় তিনি জানান, ‘জনগণের সামনে সঠিক তথ্য তুলে ধরতে সরকারের নির্দেশনায় আবার স্বাস্থ্য বুলেটিন প্রচার করা হবে। সপ্তাহে দুই দিন এটা করা হবে।’

যদিও কোন দুই দিন বুলেটিন প্রচার করা হবে তা নির্দিষ্ট করে বলেননি স্বাস্থ্যের ডিজি।

গত বছরের ১১ আগস্ট সবশেষ স্বাস্থ্য বুলেটিন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

সেই সময় করোনাকালে দেশের মানুষের বড় আগ্রহের জায়গা ছিল দুপুর আড়াইটার স্বাস্থ্য বুলেটিন।

বুলেটিনে দেয়া হতো করোনা শনাক্তকরণ পরীক্ষা, আক্রান্তের সংখ্যা, মৃত্যুর সংখ্যা, সুস্থ হওয়ার সংখ্যা, হাসপাতালে শয্যা পরিস্থিতিসহ করোনা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য।