চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আজও ১১৪ জনের মৃত্যু

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৫৩৬তম দিনে ১১৪ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৬২৭ জন। গতকালও মৃতু সংখ্যা ১১৪ জন ছিল। যা গত ৮ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন মৃত্যু।

চলতি বছরের গত ৩০ জুন ১১৫ জনের মৃত্যু হয়। এর আগে গত ৫ আগস্ট দেশে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন রোগী মারা যায়।এদিন শনাক্ত হয়েছেন চার হাজার ৯৬৬ জন রোগী। গত ২৮ জুলাই সর্বোচ্চ শনাক্ত হয় ১৬ হাজার ২৩০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ৩৩ হাজার ৬৪০টি পরীক্ষায় চার হাজার ৯৬৬ জন এই ভাইরাসে শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৬৪ লাখ ৮৭ হাজার ৭৭৫ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ২২ লাখ ৬৬ হাজার ৮৭৯ টি নমুনা। অর্থাৎ, মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৮৭ লাখ ৫৪ হাজার ৬৫৪টি নমুনা। এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ১৪ লাখ ৭৭ হাজার ৯৩০ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় সাত হাজার ৮০৮ জনসহ মোট ১৩ লাখ ৮৯ হাজার ৫৭১ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৪ দশমিক ০২ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ১১৪ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ৬২ জন পুরুষ ও ৫২ জন নারী। তাদের মধ্যে ১০৭ জনের হাসপাতালে (সরকারিতে ৯২ জন, বেসরকারিতে ১৫ জন) ও বাড়িতে সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা ২৫ হাজার ৬২৭ জন। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৩ শতাংশ।

এখন পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন ২১ হাজার ৮৫৭ জন, যার শতকরা হার ৮৫ দশমিক ২৯ শতাংশ। বেসরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন দুই হাজার ৯৯৯ জন, যার শতকরা হার ১১ দশমিক ৭০ শতাংশ। বাসায় ৭৩৮ জন মারা গিয়েছেন, যার শতকরা হার দুই দশমিক ৮৮। এছাড়াও মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন ৩৩ জন, যার শতকরা হার দশমিক ১৩ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ১৬ হাজার ৭০৮ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৬৫ দশমিক ২০ শতাংশ এবং আট হাজার ৯১৯ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ৩৪ দশমিক ৮০ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ১১১৪ জনের মধ্যে একুশ থেকে ত্রিশ বছর বয়সী দু’জন, ত্রিশোর্ধ্ব পাঁচজন, চল্লিশোর্ধ্ব ১১ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ২৬ জন, ষাটোর্ধ্ব ৪০ জন, সত্তরোর্ধ্ব ২৫ জন, আশি উর্ধ্ব তিনজন ও নব্বই উর্ধ্ব দু’জন।

আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ৩৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩ জন, বরিশাল বিভাগে চারজন, সিলেট বিভাগে নয়জন, রংপুর বিভাগে ছয়জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ছয়জন।

করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২২২টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ২১ কোটি ৪১ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৪৪ লাখ ৬৯ হাজার মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১৯ কোটি ১৬ লাখের বেশি।

বিজ্ঞাপন