চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আইএসে যাওয়া ব্রিটিশ আইসক্রিম বিক্রেতার আকুতি

২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ঘটনা। যুক্তরাজ্যের ওয়েলসের কার্ডিফের রাস্তায় রাস্তায় আইসক্রিম বিক্রি করে সবার কাছে বেশ পরিচিতি লাভ করেছিলেন ১৭ বছরের কিশোর আসিল মুথানা। কিন্তু হঠাৎ করেই একদিন নিখোঁজ হয়ে যায় কিশোরটি। এ নিয়ে চারিদিকে হইচই পড়ে যায়। 

এক সময় জানা যায়, সে তার ভাই নাসির এবং এক বন্ধুর সঙ্গে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সিরিয়ায় পাড়ি দিয়েছেন। কিন্তু দীর্ঘ পাঁচ বছর পর সিরিয়ার কারাগার থেকে মুক্তি নিয়ে মুথানা এখন মায়ের সাথে দেখা করতে বাড়ি ফিরে আসার আকুতি জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

তবে তার পরিবার তাকে এত বছর খুঁজে না পেয়ে মারা গেছে ভাবলেও এখন এমন আকুতি আবেদনের জন্য মুথানার মা ছেলের বাড়ি ফিরে আসার আবেদনের সমর্থন দিয়েছেন।

বর্তমানে ২২ বছর বয়সী মুথানার দাবি, তিনি জঙ্গিগোষ্ঠির সাথে যোগ দিতে সিরিয়া পাড়ি জমাননি বরং সিরিয়ায় যাওয়ার পথে দরিদ্রদের সাহায্য করতে চেয়েছিলেন।

এরপরে মুথানা সিরিয়ায় আসার কারণ ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন, খিলাফত ঘোষণার আগেই আমি প্রথম আইএসে এসেছিলাম। এমনকি আমরা যখন এসেছি তখন আইএসের মিডিয়াতে সিরিয়ার দরিদ্র জনগণকে সহায়তা করছে এসব বিষয় প্রচার করা হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

মুথানা সিরিয়ার একটি গোপন কারাগারে বন্দী রয়েছে যেখানে ৫ হাজার বন্দিকে আটক রাখা হয়েছে। দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা কারাগারের বন্দীদের মধ্যে রয়েছেন।

মুথানার মা উম্মে আমিন বলেন, তিনি ‘চরম আনন্দ’ অনুভব করেছেন, যে তার ছেলে এখনও জীবিত রয়েছে।

এক বিবৃতিতে, তিনি ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষকে তার ছেলেকে ঘরে ফিরতে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।

উম্মে আমিন বলেন, আমরা আপনার (কুর্দিশ কর্তৃপক্ষের) বিরোধী নই, তবে আমি একজন মা তার সন্তানের প্রতি যে যত্ন রেখেছেন তা নিয়ে লিখছি, আমার স্বামী চিন্তায় হাসপাতালে ভর্তি।

‘‘আমার ছোট্ট ছেলেটি আইএসের দ্বারা প্ররোচিত হয়েছিল এবং তাকে বিভিন্ন বিষয় বুঝিয়ে ব্রেইন ওয়াশ করা হয়েছিল। তার যখন ১৭ বছর বয়স ছিল, সে কোনটা সঠিক এবং কোনটা ভুল এই বিষয়গুলো বুঝত না। অনেকটা আবেগ তাড়িত হয়ে আইএসে যোগ দিয়েছিল।’’

Bellow Post-Green View