চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অ্যালেন-নাদিয়া-মিতুল যখন দশম শ্রেণির ছাত্র!

সালহা খানম নাদিয়া, অ্যালেন শুভ্র ও আফফান মিতুল। তিনজনই পড়েন দশম শ্রেণিতে! ১,২ ও ৩ এর মধ্যেই থাকে রোল থাকে তাদের। একে অপরের সাথে বন্ধুত্ব ও ঘনিষ্ঠতাও দেখার মতো। এই ঘনিষ্ঠতা থেকেই নাদিয়ার প্রতি প্রেম জন্মে অ্যালে ও মিতুলের। ত্রিভুজ প্রেমের চক্করে সম্পর্ক নষ্ট হয় তাদের। পড়াশোনায় কমে মনোযোগ!

এদিকে এই তিন মেধাবী ছাত্রকে নিয়ে অন্য স্বপ্ন দেখেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাসুম আজিজ। তিনি ভেবেছিলেন, এসএসসিতে ভালো ফলাফল হলে স্কুলটি সরকারি নিবন্ধন পাবে। কিন্তু সেই স্বপ্ন ভেঙে দেন অ্যালেন,নাদিয়া ও মিতুল। প্রেমের চক্করে ফলাফল খারাপ হয়। ব্যাপারটি বুঝতে পেরে ক্লাস টিচার মনিরা মিঠু তাদের বুঝিয়ে বলেন, এই বয়সে পড়াশোনার বিকল্প আর কিছুই হতে পারে না। তিনি সবাইকে বঙ্গবন্ধুর গল্প শোনান, বঙ্গবন্ধুর বই পড়তে দেন আর বলেন নিজের কথা না ভেবে বঙ্গবন্ধুর মতো দেশের জন্যে ভাবতে। এরপর বদলাতে থাকে তিন জনের জীবনধারা।

বিজ্ঞাপন

পি.আর.প্ল্যাসিডের উপন্যাস ‘সিঁড়ি’ অবলম্বনে নির্মিত টেলিফিল্মের গল্প এমনই! যার চিত্রনাট্য করেছেন মমর রুবেল, এবং পরিচালনা করেছেন ‘ইন্দুবালা’ চলচ্চিত্রের নির্মাতা জয় সরকার।

আফফান মিতুল জানান, এই টেলিছবির জন্য বেশ পরিশ্রম করতে হয়েছে আমাদের। বিশেষ করে অ্যালেন শুভ্র, নাদিয়া ও আমাকে। কারণ এই বয়সে এসে দশম শ্রেণির ছাত্রের চরিত্রে অভিনয় করা আমাদের জন্য বেশ কঠিন ছিলো। এই চরিত্রটির জন্য ওজন কমিয়েছি প্রায় দশ কেজির মতো। দাড়ি গোঁফ ছেঁটে স্কুল ছাত্রের মতোই লুক আনতে চেষ্টা করেছি। অ্যালেন শুভ্র’র জন্য এই চরিত্রটি বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিলো। আমাদের উপর ভরসা করার জন্য পরিচালককে ধন্যবাদ। এখন বাকিটা দর্শকের বিবেচনা!

গেল মাসের ২১ তারিখ থেকে মানিকগঞ্জে শুরু হয়েছিল ‘সিঁড়ি’র শুটিং। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শেষ হয়েছে টেলিফিল্মটির শুটিং। সামনে একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচারের পর অনলাইনেও পাওয়া যাবে ‘সিড়ি’।