চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অনেক রিপাবলিকানও ট্রাম্পের অভিশংসন চান

এক সপ্তাহে আগে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা ক্যাপিটল ভবনে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উগ্র সমর্থকদের হামলার পর ট্রাম্পকে পদ থেকে সরাতে ডেমোক্র্যাটদের আনা অভিশংসন প্রস্তাবে তার নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির অনেকেই সমর্থন জানাতে যাচ্ছেন।  

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিপাবলিকান সিনেটর প্যাট টুমি ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেছেন।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয় দেশের জন্য এখন সবচেয়ে ভাল হবে যদি ডোনাল্ড ট্রাম্প পদত্যাগ করে দ্রুত বিদায় নেন। আমি জানি তা হয়ত হবে না। কিন্তু এটা হলেই ভাল হতো।’

হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভের তৃতীয় সিনিয়র রিপাবলিকান লিজ চেনি বলেছেন, ‘পার্লামেন্ট ভবনে হামলার পর আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি ট্রাম্পের অভিসংশনের পক্ষে ভোট দেবো।’

ট্রাম্পকে বিদায় জানাতে ডেমোক্র্যাটরা প্রথমে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল, যাতে তিনি সংবিধান অনুসারে তার ক্ষমতা প্রয়োগ করে ট্রাম্পকে সরিয়ে দেন। কিন্তু ভাইস প্রেসিডেন্ট এখনো সেরকম কোনো পদক্ষেপ নেননি।

বিজ্ঞাপন

আরেক রিপাবলিকান সদস্য পিটার মেইজার বলেছেন, তিনি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ভোট দেবেন। তিনি মনে করেন, ট্রাম্প শাসন করার যোগ্যতা হারিয়েছেন।

ঠিক একই কথা বলছে ডেমোক্র্যাটরা। স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি জানিয়েছেন, তিনি ভাইস প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করেছেন, সংবিধানের ২৫ তম সংশোধন অনুসারে ট্রাম্পকে যেন তিনি অবিলম্বে সরিয়ে দেন।

তবে রিপাবলিকানরা এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন। স্থানীয় সময় বুধবার ট্রাম্পকে সরাতে অভিসংশন নিয়ে ভোটাভুটি করবে ডেমোক্র্যাটরা।

তবে ৪৩৫ সদস্যের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাস হয়ে গেলে অভিসংশন প্রস্তাব যাবে সিনেটে। সেখানে দুই তৃতীয়াংশ ভোটে প্রস্তাব পাস হতে হবে। তা হলেই ট্রাম্পকে সরানো যাবে।

এই সংখ্যা ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে জোগাড় করা শক্ত। কারণ, রিপাবলিকান সিটেনরদের একটা অংশ অভিশংসনের পক্ষে ভোট না দিলে সেটা সম্ভব নয়। যদি ট্রাম্পকে অভিশংসন করা হয়, তা হলে তিনি আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।