চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অনলাইনে দেখা যাবে জনি ডেপের যে পাঁচ ছবি

পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ানের জ্যাক স্প্যারো কিংবা চার্লি অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরির উইলি ওয়াঙ্কা চরিত্র দুটির সাথে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। এই চরিত্রগুলোর নেপথ্যের অভিনেতা জনি ডেপের ৫৮ তম জন্মদিন বুধবার (৯ জুন)।

প্রচলিত ধারার বাইরের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি প্রশংসিত হয়েছেন বহু বার। তেমনি আইনি ঝামেলায় জড়িয়ে কিংবা উদ্ভট কাজকর্মের জন্য সমালোচিতও হয়েছেন একাধিকবার। এক নজরে জেনে নিন জনি ডেপের পাঁচটি সিনেমা সম্পর্কে, যেগুলো ঘরে বসে অনলাইনেই দেখে নেয়া যাবে:

পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান (ডিজনি প্লাস হটস্টার): ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ানে’ জ্যাক স্প্যারো চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনি ডেপ। ওয়াল্ট ডিজনির একই নামের থিম পার্কের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই ছবিতে জলদস্যুর ভূমিকায় দেখা গেছে জনি ডেপকে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সুইনি টড: দ্য ডেমন বারবার অব ফ্লিট স্ট্রিট (আমাজন প্রাইম ভিডিও): ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া অভিনেতা জনি ডেপের সিনেমা ‘সুইনি টড- দ্যা ডেমন বারবার অফ দ্যা ফ্লিট স্ট্রিট’ পরিচালনা করেছেন টিম বার্টন। মিউজিক্যাল ব্ল্যাক কমেডি এই সিনেমাটিতে জনি ডেপ অভিনয় করেছেন সুইনি টড নামের একজন ইংরেজ নাপিতের ভূমিকায়, যে তার গ্রাহকদের ক্ষুর দিয়ে মেরে ফেলে এবং তার সঙ্গিনী মিসেস লভেটের সঙ্গে মিলে মৃতদেহগুলো দিয়ে মাংসের ‘পাই’ তৈরি করে।

বিজ্ঞাপন

হোয়াট’স ইটিং গিলবার্ট গ্রেপ (নেটফ্লিক্স): ১৯৯৩ সালের ছবি এটি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন লাস হলস্ট্রম। জনি ডেপ ছাড়াও ছবিতে আছেন লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও ও জুলিয়েট লুইস। এই ছবিতে সাদামাটা লুকে দেখা গেছে জনি ডেপকে। কমবয়সী এক যুবকের চরিত্রে দেখা গেছে তাকে যে গ্রোসারি স্টোরে চাকরি করে জীবন চালায় এবং অসুস্থ মা, অটিজমে আক্রান্ত ভাইয়ের দেখাশোনা করে।

ডনি ব্রাসকো (ইউটিউব): ১৯৯৭ সালের ছবি। একজন সাবেক এফবিআই এজেন্টের জীবনের কাহিনী নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই মাফিয়া থ্রিলার চলচ্চিত্র। অভিনেতা আল প্যাচিনো মাফিয়া চরিত্রে অভিনয় করেছেন, জনি ডেপকে দেখা এফবিআই এজেন্ট ডনি ব্রাসকোর চরিত্রে।

এডওয়ার্ড সিজরহ্যান্ডস (ইউটিউব): ১৯৯০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মার্কিন রূপকথার চলচ্চিত্র। পরিচালনা করেছেন টিম বার্টন। এতে এডওয়ার্ড চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনি ডেপ আর কিম বোগস চরিত্রে ছিলেন উইনোনা রাইডার। ছবির কাহিনী এডওয়ার্ডকে কেন্দ্র করে। তার স্বাভাবিক হাত নেই, তার বদলে আছে কাচির গুচ্ছ। এক বৃদ্ধ সম্পূর্ণ নতুন মানুষ হিসেবে তাকে তৈরি করেছিলেন। প্রথমে তার হাত বানিয়েছিলেন কাচি দিয়ে। তার ইচ্ছা ছিল এডওয়ার্ডকে স্বাভাবিক হাত তৈরি করে দেয়ার। কিন্তু সেটা করার আগেই তিনি মারা যান। অসম্পূর্ণ এডওয়ার্ড সম্পূর্ণ একাকি হয়ে পড়ে। আমেরিকার সাধারণ এক উপশহরের অদূরে বিশাল অট্টালিকায় যখন তার দিন কাটছিল সে সময় উপশহরের এক মহিলা তার খোঁজ পায়। সে এডওয়ার্ডকে নিজের বাসায় নিয়ে যায়। সেখান থেকেই কাহিনীর শুরু। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস