চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অনন্য উচ্চতায় তামিম

 রান করলে প্রশংসা আর না করলেই সমালোচনা। বারবার সব ধরনের সমালোচনার জবাব দিতে হেসেছে তার ব্যাট। পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুই সেঞ্চুরি করে ওপেনার তামিম ইকবাল এখন দেশের সর্বোচ্চ ওয়ানডে স্কোরার।

সাকিব আল হাসানের মতো ৬টি ওয়ানডে সেঞ্চুরির মালিকও তামিম। তামিম ইকবালের ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নামের সাথে যুক্ত দেশের সেরা ব্যাটসম্যানের তকমা।

প্রথমবারের মতো তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছতে সময় নিয়েছিলেন ১৩ মাস। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে এসেছিলো প্রত্যাশিত সেঞ্চুরি।

তারপর আবারো নিজেকে হারিয়ে ফেলা। রান পাওয়া না পাওয়ার মাঝে বাংলাদেশের জিম্বাবুয়ে সফর। তার ব্যাটে ভর করেই পাঁচ ম্যাচ সিরিজে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই জিম্বাবুয়ের মাটিতে টাইগাদের দ্বিতীয় ওয়ানডে সিরিজ জয়।

২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বাংলাদেশ সফর। সেবার প্রথম ওয়ানডেতেই জ্বলে উঠলো তামিমের ব্যাট। ১২০ বলে ১২৫ রানের ইনিংসটি ছিলো বাংলাদেশের টোটাল রানের অর্ধেকেরও বেশি। কিন্তু সেবার শেষ রক্ষা পায়নি টিম টাইগার্স।

Advertisement

চতুর্থ সেঞ্চুরির জন্য তামিমকে অপেক্ষা করতে হয়েছে দীর্ঘ তিন বছর। ইনজুরি আর বাজে সময় কাটিয়ে ২০১৩ সালে শ্রীলংকার বিপক্ষে হাম্বানটোটায় শেষ হয় অপেক্ষার।

তারপর আবারো হঠাৎ করেই ফর্মহীনতা, ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে ফেরা। কিন্তু রানের দেখা নেই। বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৫ রানের ইনিংস খেলার পরও সমালোচনায় মুখর ছিলো সামাজিক মাধ্যমগুলো।

সবকিছুর জবাব দিলেন পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুই সেঞ্চুরি করে।

এরপরই সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, ভালো খেলার জন্যই মাঠে নামেন তিনি।

পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয়ে তামিমের পারফরম্যান্সকেই এগিয়ে রাখনে ক্রীড়ামোদিরা। টানা দুই সেঞ্চুরিতে দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ৪ হাজার ৩’শ ৭৩। ওয়ানডে রানের মালিক এখন তামিম ইকবাল।