তৃতীয়দিন সকালে লিড ৩৩৮ রানে যাওয়ার পর অলআউট হয়েছে সফরকারী শ্রীলঙ্কা। শেষ দুটি উইকেট নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম।
দ্বিতীয়দিন লাকমালকে নিয়ে অর্ধশতকের পর অপরাজিত ছিলেন রোশেন সিলভা। নবম উইকেটে দুজন এই ম্যাচের দ্বিতীয় সেরা জুটি গড়ে যান! শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে সপ্তম উইকেটে ৫২ রান যোগ করেছিল। মিরপুরে এর বেশি রান কোনো জুটিতে উঠল না। এই ইনিংসে রোশেন-লাকমালের অবদান ৪৮। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটি ৩৪ রানের।
শনিবার উইকেটের অবস্থা আরোও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। জায়গায় জায়গায় ছোট ছোট ফাটল চোখে পড়েছে। মিরাজের প্রথম ওভারেই বিশাল একটি টার্ন দেখা গেছে। সেটা বোলারের কৃতিত্ব নয়। ওই ‘গর্তে’র।
এই মাঠে ২০৯ রানের বেশি তাড়া করে জেতার নজির নেই। সব মিলিয়ে বাংলাদেশও কোনোদিন টেস্টে এত রান তাড়া করে জিততে পারেনি। এর আগে একবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ২১৭ রান তাড়া করে জিতেছিল মুশফিকরা।

শ্রীলঙ্কা আগে ব্যাট করে প্রথম ইনিংসে ২২২ রানে অলআউট হয়েছিল। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে করতে পারে ১১০।
বাংলাদেশের বিপদ বেড়ে যায় দ্বিতীয়দিনের খেলায়। মাত্র তিন রান যোগ করতে শেষ ৫ উইকেট পড়েছিল স্বাগতিকদের। আগেরদিনও অবস্থা প্রায় একই রকম ছিল। প্রথম ৪ চার উইকেট পড়ে ৪৩ রানে।
এই ইনিংসে বাংলাদেশের একজন মাত্র ব্যাটসম্যান ৩০’র ঘর স্পর্শ করেন। তিনি মেহেদী হাসান মিরাজ, ৩৮*। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ লিটন দাসের ২৫। এরপর একে একে ফিরে যান রিয়াদ (১৭), সাব্বির (০), রাজ্জাক (১), তাইজুল (১) এবং মোস্তাফিজ (০)।







