হৃদরোগ চিকিৎসায় বাংলাদেশ বিস্ময়করভাবে এগোনোয় বিদেশের হাসপাতালে যাওয়ার প্রবণতা কমেছে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক পর্যায়ের চিকিৎসকরা।
বাংলাদেশে ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সী কর্মক্ষম মানুষেরা হৃদরোগের ঝুঁকিতে রয়েছেন জানিয়ে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব কার্ডিওভাসকুলার আল্ট্রাসাউন্ড এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট প্রফেসর নভিন সি নন্দা। হার্ট অ্যাটাক, ভাল্ভ এবং জন্মগত যে কোনো ত্রুটিসহ ৯০ শতাংশ হৃদরোগের সমস্যা নির্ণয়ে ইকোকার্ডিওলজির অভাবনীয় সাফল্য এসেছে তার হাত ধরেই।
সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব কার্ডিওভাসকুলার আল্ট্রাসাউন্ড এর বাংলাদেশ অংশের আয়োজনে সেমিনারে যোগ দিতে ঢাকায় আসেন তিনি। চ্যানেল আইয়ের সাথে একান্ত সাক্ষাতকারে কথা বলেন বাংলাদেশসহ বিশ্বের হৃদরোগ পরিস্থিতি নিয়ে।
ভারতীয় ইকো কার্ডিওগ্রাফির জনক হিসেবে পরিচিত ডাক্তার এস কে পরেশ্বর বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের খাদ্যাভাস এ অঞ্চলে হৃদরোগের বড় কারণ।
হৃদরোগ চিকিৎসায় বিশ্বের এ দুই পুরোধা ব্যক্তিত্ব হৃদরোগ থেকে সুরক্ষায় কিছু পরার্মশ দিয়েছেন। তারা বলছেন, বয়স ৪০ বছর হলে বছরে অন্তত একবার উচ্চরক্তচাপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা করতে হবে।







