মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সৌদি আরবের কাছে আবারো অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। ইয়েমেনের চলমান সৌদি আগ্রাসনে এসব অস্ত্র ব্যবহার করা হবে বলে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন সমালোচকরা।
বহু কোটি ডলারের এ চুক্তির আওতায় রিয়াদের অস্ত্রভান্ডারে যোগ হবে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আগাত হানতে সক্ষম নানা রকমের অত্যাধুনিক অস্ত্র। সৌদি আরব যখন প্রায় প্রতিদিনই ইয়েমেনের ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে তখন এসব অস্ত্র পাচ্ছে রিয়াদ।
ইয়েমেনের একটি জানাজা অনুষ্ঠানে সৌদি বিমান হামলার পর ১১৫ কোটি ডলারের এ অস্ত্র চুক্তি আটকে দিয়েছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। এ হামলাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র সমালোচনার মুখে এ পদক্ষেপ নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
এছাড়া, ইয়েমেন যুদ্ধে বেসামরিক মানুষ নিহত হওয়াকে কেন্দ্র করে গত ডিসেম্বরে সৌদির কাছে ট্যাংক এবং সাঁজোয়াযান বিক্রির চুক্তিও বাতিল করেছিল ওবামা প্রশাসন।
অস্ত্র বিক্রির বিতর্কিত বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের অনুমোদন থেকে আভাস পাওয়া যাচ্ছে যে, ইয়েমেন যুদ্ধ নিয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চায় যুক্তরাষ্ট্র।
ইয়েমেনের হাউতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সৌদি আরব বিমান হামলা শুরু করে ২০১৪ সালে। ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট মানসুর হাদিকে ইরান-সমর্থিত হাউতি বিদ্রোহীরা ক্ষমতাচ্যুত করলে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।
সৌদি আরবের নেতৃত্বে বিমান হামলা শুরুর পর ইয়েমেনে হাজার-হাজার বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছে এবং ৩০ লাখের বেশি মানুষ তাদের বাসস্থান হারিয়েছে।
তবে ব্যাপক সংখ্যায় বেসামরিক মানুষ হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে সৌদি আরব বলছে বেসামরিক মানুষ যাতে হতাহত না হয় সেজন্য তারা সব ধরনের চেষ্টা করছে।







