চ্যানেল আই আয়োজিত সংগীত প্রতিভা অন্বেষণের অনুষ্ঠান ‘সেরাকণ্ঠ’র সিজন-৭ এর মঞ্চে অতিথি বিচারক উপস্থিত হয়েছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, এমপি! অভিনব ঘটনাই বটে।
চ্যানেল আইয়ের নিজস্ব স্টুডিওতে চলছে ‘সেরাকণ্ঠ ২০২৩’ এর বিভিন্ন রাউন্ডের শুটিং। গেল বছর নভেম্বরে এই রিয়েলিটি শোর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। ইজাজ খান স্বপনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ‘ঐক্য ডটকম ডট বিডি চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ ২০২৩’ আয়োজনটি পরিচালিত হচ্ছে।
বিচারকের ভূমিকায় আছেন উপমহাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গায়িকা রুনা লায়লা, সামিনা চৌধুরী ও রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। এবার এই সংগীত প্রতিভা অন্বেষণের অনুষ্ঠানের একটি পর্বে অতিথি বিচারক হিসেবে দেখা যাবে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বাবু (এমপি)কে।
গেল রবিবার ডেঞ্জার জোন রাউন্ডের শুটিংয়ে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। এই সময় স্টুডিওতে মোট প্রতিযোগী ছিলেন ১৩ জন। শুটিংয়ের শুরুতে ময়মনসিংহের এই সংসদ সদস্য ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থেকে আগত প্রতিযোগী আদি আদিশ্রীর কণ্ঠে সামিনা চৌধুরীর একটি গান উপভোগ করেন। এরপর আরও চারজন প্রতিযোগীর গান উপভোগ করেন তিনি। এসময় স্টুডিওতে উপস্থিত ছিলেন তিন বিচারকও।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বাবু জানান, এবারই প্রথম তিনি সেরাকণ্ঠ প্রতিযোগিতার বিচারক হয়ে এসেছেন। অবশ্য মাঝখানে কয়েক বছর বিরতিতে ছিল এই রিয়েলিটি শো। যে কারণে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণেরও সুযোগ ছিল না।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শুরুতেই বলতে চাই- গান গাইতে হলে সুর ও তাল সম্পর্কে অবশ্যই ভালো জ্ঞান থাকতে হবে। আমি যে পাঁচজন প্রতিযোগীর গান শুনেছি তারা প্রত্যেকেই খুব ভালো গেয়েছে। চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠতে বিচারক হিসেবে কাজ করা আমার জন্য সত্যিই দারুণ এক অভিজ্ঞতা। আমি অনুষ্ঠানে এসেই বলেছিলাম, যে চল্লিশ মিনিট থাকব। কিন্তু পাঁচজনের গান শেষ হয়ে যাওয়ার পর আমি এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলাম যে আমার ইচ্ছা করছিল আরও কিছুটা সময় থেকে গান শুনি। ধন্যবাদ চ্যানেল আই কর্তৃপক্ষকে।’







