ফুটবল মাঠের বাইরে ক্যামেরার সামনেও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর চাহিদা আকাশচুম্বী! বিজ্ঞাপনের বাজার ধরতে পর্তুগিজ তারকার চেহারা পর্দায় তুলে ধরলেই হল। নিজেকে ঘিরে গড়ে ওঠা এ চাহিদার কথা রোনালদোরও অজানা নয়। ফুটবল ক্যারিয়ার শেষে ক্যামেরার সামনে নিজেকে সঁপে দেয়ার ইচ্ছাটা তাই হয়ত বেড়েছে। সিআর সেভেন বুট তুলে রাখার পরে যে হতে চান সিনেমার তারকা, নির্মাতাও।
বয়সটা চলছে ৩২। খেলোয়াড়ি জীবন থেকে অবসরের চিন্তাটা ক্রমেই এগিয়ে আসছে। অবসরের পর বেশিরভাগ ফুটবলারেরই চিন্তা থাকে কোচ বা অন্যভাবে ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত থেকে নতুন জীবন শুরু করার।
কিন্তু রোনালদো ব্যতিক্রমদের একজন। তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন সিনেমায় নাম লেখানো। ইতালিয়ান সংবাদ মাধ্যম স্কাই ইতালিয়ার জন্য সাবেক জুভেন্টাস কিংবদন্তি আলেসান্দ্রো ডেল পিয়েঁরোকে এক সাক্ষাৎকারে পর্তুগিজ অধিনায়ক জানিয়েছেন সেটাই। বলেছেন, ২৭-২৮ বছর বয়স থেকেই সিনেমার পর্দায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা ইচ্ছা তার।
‘যা ভাল সেটা সবসময় ভাল। আমি জানি অবসর পরবর্তী জীবনটা আমার ভালই কাটবে। আমি একথা এজন্য বলছি না যে আমার অনেক টাকা আছে। এজন্য বলছি, আমি হয়ত নতুন কিছু চেষ্টা করবো।’
‘উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি, আমি সিনেমা বানাতে পারি। আমার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান আছে। আমার হোটেল আছে, জিম আছে, নাইকির সঙ্গে বড় চুক্তি আছে। কীভাবে একজন পাকা ব্যবসায়ী হয়ে ওঠা যায় সেটা আমি শিক্ষতে চাই। আমার ভবিষ্যৎ চিন্তা ২৭-২৮ বছর বয়স থেকেই ভেবে রেখেছি।’
রোনালদো চাইলে ডেভিড বেকহ্যাম, এরিক ক্যান্টোনাকে অনুসরণ করতে পারেন। ফুটবলে ক্যারিয়ার শেষে রূপালী পর্দায় সাফল্য পেয়েছিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই সাবেক ফুটবলাররা।
তবে রোনালদো জোর দিয়ে বলছেন তিনি সাফল্য পাবেনই। কারণ তার আছে দক্ষ কর্মীবাহিনী। তাদের উপর ভর করেই নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গোছাচ্ছেন সিআর সেভেন।
‘আমার একটা ভাল কর্মীবাহিনী আছে। অনেক লোক আমার প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে। তারা আমাকে দারুণ দারুণ পরিকল্পনা দিয়ে সাহায্য করে। আমি যখন ফুটবল খেলি তখন সবকিছুই আমার উপর নির্ভর করে, ঠিক তেমনি আমার সঙ্গে যারা কাজ করে তাদের উপরও আমাকে নির্ভর করতে হয়।’








