একপক্ষের বাধার মধ্যেই মোহাম্মদপুরের আসাদগেট নিউ কলোনীর ৭টি ভবনের ১১৪টি ফ্ল্যাট বরাদ্দ দিতে শুরু করেছে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ। বছরের পর বছর নিউ কলোনিতে বাস করা বাসিন্দাদের একটি বড় অংশের অভিযোগ, নতুন প্রকল্পে যে দামে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, সেই দামে তাদের পক্ষে ফ্ল্যাট কেনা অসম্ভব।
১৯৯৭ সালে ওই সময়ের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা ছিলো জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের আওতাধীন মোহাম্মদপুরের আসাদগেট নিউ কলোনীতে অর্ধশতাব্দী ধরে বসবাস করা ৭টি ভবনের ১১৪টি পরিবারের কাছেই স্বল্প মূল্যে ফ্ল্যাটগুলো বিক্রি করতে হবে।
বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ১৮ বছরেও ফ্ল্যাটগুলো কলোনির বাসিন্দাদের নামে বরাদ্দ দেয়নি গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ। সর্বশেষ চলতি বছরের ৬ জুলাই পুরাতন ওই ৭টি ভবন ভেঙ্গে নতুন করে নির্মাণ করতে টেন্ডার আহবান করা হয়। তবে কলোনির বাসিন্দাদের অভিযোগ, নতুন করে নির্মাণ করার পর বাজার মূল্যে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়ায় তাদের পক্ষে ফ্ল্যাট কেনা অসম্ভব।
তাদের অভিযোগ, এখন বাজার মূল্যে ফ্ল্যাট দেওয়ার যে কথা বলা হচ্ছে, তা তাদের পক্ষে কেনা সম্ভব না। আবার এখানে কেউ কেউ জায়গা পেয়েছিলেন শহীদ পরিবারের সদস্য হিসেবে।
কলোনির একটি বড় অংশ বিক্ষোভ করলেও বাকি ৩৬টি পরিবার যারা বাজার দরে ফ্ল্যাট বরাদ্দ নিচ্ছে তাদের মধ্যে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দিয়েছে গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ। একে একে কলোনির সবাইকে ফ্ল্যাট দেওয়া হবে জানালেও স্বল্প মূল্যে ফ্ল্যাট বরাদ্দ প্রশ্নে কিছু বলেননি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী।
মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, আগের বাড়ি গুলোর অধিকাংশই অকেজো হয়ে পড়েছে। এখন আপনি যদি বেটার লিভিং চান তাহলে কিছুটা খরচ করতেই হবে। আবার যাদের বাড়ি ভাড়াসহ বিভিন্ন বিল বকেয়া রয়েছে তাদের বরাদ্দ নেওয়ার আগে সব বিল পরিশোধ করতে হবে। আর অধিকাংশ বাসিন্দাই বর্তমান বাজার দরে ফ্ল্যাট নিচ্ছেন বলে দাবি করেন মন্ত্রী।
আগের ধার্যকৃত মূল্যে হায়ার পারচেজ ভিত্তিতে আবাসন সমস্যা সমাধানের দাবিতে মানববন্ধনে বাসিন্দাদের বাধা দেয় পুলিশ।






