ঘুম ভেঙে আয়নার সামনে দাঁড়াতেই মেজাজ খারাপ। নাকের চারপাশে একগাদা তেল আর সারারাতের ভাঙা ভাঙা ঘুম শেষে নিজেকে ফ্রেশ দেখানোর বদলে মনে হচ্ছে অনেকটাই ক্লান্ত।
যদি চান সকালে ঘুম থেকে উঠেই মুখটা আপনাকে হাসিমুখে বলুক গুড মর্নিং, তাহলে রাতেই খানিকটা বাড়তি সময় দিন মুখের জন্য। এজন্য অবশ্য বেশি কিছু করতে হবে না, শুধু রাতের বেলা নিজের প্রতি একটু বাড়তি যত্ন নিলেই হবে।
সকালে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন ত্বক পেতে রাতে মেকআপ তুলে ঘুমাতে যাওয়াটা মাস্ট। ভুলেও ত্বকে একগাদা মেকআপ নিয়ে ঘুমাতে যাবেন না। যত ক্লান্তই থাকেন, চেষ্টা করেন মুখ ভালো করে ধুয়ে তারপর ঘুমাতে যেতে।
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বকে ভালো করে টোনার লাগান। টোনার লাগালে সারারাত ত্বক আদ্রতা পাবে। সকালে উঠে একটা ফ্রেশ লুক পাবেন চেহারায়।

সারাদিনের ব্যস্ততা, দুশ্চিন্তা আর ঠিকঠাক নিজের যত্ন না নেওয়ার কারণে কালো দাগ পড়ে যায় চোখের নিচে। ডার্ক সার্কেল আমাদের সৌন্দর্য নষ্ট করে দেওয়ার জন্য খুবই কার্যকর। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো করে চোখের নিচে আইক্রিম লাগান। কালোদাগ দূর হয়ে গেলে সকালে মুখটা অন্যরকম সুন্দর দেখাবে।
রাতে ঘুমানোর সময় অনেকেরই পছন্দ চুল খুলে ঘুমানো। কিন্তু তাতে যেমন চুলের ক্ষতি হয়, তেমন মুখের ক্ষতি হয় আর ক্ষতি হয় ঘুমেরও। তাই রাতে চুলটা পনিটেইল করে ঘুমাতে যান। সকালে চুলটাও খুব বিচ্ছিরি দেখাবে না। আবার দীর্ঘসময় পরে দেখবেন ত্বকেরও কোনো ক্ষতি হয়নি।
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হাতে ও পায়ে ভালো করে ময়েশ্চারাইজার লাগান। এসব সারারাত আপনার ত্বককে পুষ্টি দেবে। নিয়মিত ব্যবহারে আপনার হাত ও পা হবে নরম নরম।

ব্রাশ করে ঘুমাতে যান। শুধু বাইরে থেকেই নয় ভেতর থেকেও নিজেকে সুন্দর করে তুলুন। ঘুমানোর আগে ব্রাশ করতে ভুলবেন না। সেটাই আপনার দাঁত ও মুখের সুস্থতার জন্য খুবই দরকারি। তা না হলে একসময় আপনাকে ভুগতে হবে দাঁতের সমস্যায়। রাতে নিয়ম করে দাঁত ব্রাশ করলে সেই সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন অনেকটা।
তবে সবকিছুর উপরে রাতে ঠিকঠাক ঘুমটা জরুরি। ঘুম ভালো না হলে কোনোভাবেই চেহারায় সতেজতা আসবে না কিছুতেই। সকালে নিজেকে ফ্রেশ দেখতে চাইলে অবশ্যই রাতে ভালো করে ঘুমান। যদি খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতে হয় তাহলে ঘুমাতে যাওয়ার চেষ্টা করেন তাড়াতাড়ি।








