জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে দিয়ে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক অধ্যায়ের সমাপ্তি টানছেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। শেষ ম্যাচে অবশ্য কয়েন-জয়ের হাসি মেলেনি। সিলেটে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়েছে টাইগাররা।
দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ী একাদশে চার পরিবর্তন নিয়ে নেমেছে টাইগাররা। ওপেনার নাঈম শেখ ও স্পিন-অলরাউন্ডার আফিফ হোসেন ধ্রুবর অভিষেক হল। একাদশে এসেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও মোস্তাফিজুর রহমান। নেই মুশফিকুর রহিম।
শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে জয় তুলতে পারলে তিন ওয়ানডের সিরিজে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করবে বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব ছেড়ে দেয়ার কথা জানান মাশরাফী। লাল-সবুজদের অধিনায়ক হিসেবে শুক্রবার শেষবার টসে নেমেছিলেন টাইগার ক্রিকেটের বহু সাফল্যের সারথি এ মহাতারকা।
অধিনায়ক হিসেবে ওয়ানডেতে ৫০তম জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ৩৬ বছর বয়সী মাশরাফী। এই ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে হারাতে পারলেই জয়ের ফিফটি হয়ে যাবে দেশসেরা অধিনায়কের।
৫০ ওভারের ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসেবে জয়ের দিক থেকে অনেক আগেই দেশের সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন মাশরাফী। তার অধীনে বাংলাদেশ ৮৭ ম্যাচ খেলে জিতেছে ৪৯টিতে। সাফল্যের হার ৫৭.৬৪ শতাংশ।
দ্বিতীয় স্থানে থাকা হাবিবুল বাশার সুমন ২৯টি ওয়ানডে জয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তার অধীনে টাইগাররা খেলেছে ৬৯ ম্যাচ। সাকিব আল হাসান ৫০ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করে জয়ের স্বাদ পেয়েছেন ২৩টিতে। ৫০ কিংবা তার বেশি ওয়ানডে ম্যাচে নেতৃত্ব দেয়া অধিনায়ক এ তিনজনই।
গত সপ্তাহে সিরিজের একমাত্র টেস্টে সাড়ে তিনদিনে জেতা টাইগার দল আত্মবিশ্বাসে অনেকটা এগিয়ে থেকে প্রথম ওয়ানডেতে তুলেছে ১৬৯ রানের বিশাল জয়। পরের ম্যাচে লড়ে এনেছে ৪ রানের জয়। এক ম্যাচ হাতে রেখেই জিতেছে সিরিজ।
বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, লিটন দাস, নাঈম শেখ, আফিফ হোসেন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোহাম্মদ মিঠুন, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা (অধিনায়ক), মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও মোস্তাফিজুর রহমান।







