শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, স্থানীয় এমপির উপস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে লাঞ্ছনার ঘটনায় তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বুধবার সচিবালয়ে শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যও।
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তের উপর স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান এর উপস্থিতিতে ১৩ মে নির্যাতন চালানো হয়।
ছাত্রদের ওপর শারীরিক নির্যাতনসহ ৪টি অভিযোগ এনে এরপর ওই শিক্ষককে স্কুল থেকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। শিক্ষক লাঞ্ছনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িলে পড়লে দেশজুড়ে শুরু হয় প্রতিবাদ এবং বিক্ষোভ।
শিক্ষামন্ত্রী ওই ঘটনাকে দুঃখজনক মন্তব্য করে বলেছেন, তদন্তের পরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তিনি বলেন, ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কিছু নিয়ম-নীতি অনুসরণ করতে হয়। না হয় সে ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা যাবে না। আমরা তদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছি।
তদন্ত কমিটির রিপোর্ট সবাইকে অবহিত করা হবেও বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
ওই ঘটনা শিক্ষক সমাজকে অপমান আখ্যা দিয়ে দোষীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
তিনি বলেন, ওই শিক্ষককে হেয় করার পর আবার সাময়িক বরখাস্ত করা আরও অপরাধ। একজন শিক্ষককে এভাবে অপমান করা অচিন্তনীয়।
তদন্তের ভিত্তিতে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।







