২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভারতের দিল্লিতে চলন্ত বাসে প্যারামেডিক্যল পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে চার আসামির ফাঁসি কার্যকর হয়েছে শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টায়।দিল্লির তিহার জেলে ৪ জন অপরাধীকে এক সঙ্গে ফাঁসিতে ঝোলানোর ঘটনা এই প্রথম।
সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত মুকেশ, অক্ষয়, বিনয় আর পবনের ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে অবশেষে ন্যায়বিচার পেলেন ভারতীয় গণমাধ্যমের দেয়া ‘নির্ভয়া’ নামের মেয়েটি।
তবে এই ন্যায়বিচারটুকু পাওয়ার জন্য গত ৭ বছর ধরে যিনি আদালতে আইনী লড়াই করেছেন, তিনি ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নারী আইনজীবী সীমা কুশওয়াহা। এ জন্য কোনো টাকা তো তিনি নেনই নি, বরং এ মামলা লড়তে গিয়ে তিনি হয়ে গিয়েছিলেন নির্ভয়ার পরিবারের সুখ-দুঃখের সঙ্গী।
আর তাইতো অপরাধীদের ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর নির্ভয়ার মা আশা দেবী গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘এই আইনজীবী ছাড়া এই যুদ্ধে জেতা সম্ভব হতো না।’

চার অপরাধীর ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর টুইটারে ‘হিরো’ বনে যাওয়া আইনজীবী সীমা কুশওয়াহা ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন… ‘এই লড়াইটা সহজ ছিল না।’








