প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে হারিয়ে সুপার লিগের আশা বাঁচিয়ে রাখল শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের দশম রাউন্ডের ম্যাচে মুখোমুখি হয় দল দুটি। প্রাইম ব্যাংকের দেয়া ২৭১ রানের লক্ষ্য এক বল ও দুই উইকেট হাতে রেখে টপকায় শেখ জামাল।
আগামী রোববার এই মাঠেই লিগপর্বের শেষ রাউন্ডে শেখ জামালের প্রতিপক্ষ মোহামেডান। দুটি দলেরই সমান ১২ পয়েন্ট। জয়ী দল নিশ্চিত করবে সেরা ছয়ের সুপার লিগ। হেরে যাওয়া দলের সামনেও থাকবে সুযোগ। শেষ রাউন্ডে পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ জিতলে শেখ জামাল-মোহামেডান ম্যাচের হেরে যাওয়া দলের সঙ্গে রানরেট বিবেচনায় যারা এগিয়ে থাকবে, তারা উঠবে সুপার সিক্সে। ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সাত নম্বরে অবস্থান করছে রূপগঞ্জ।
এরইমধ্যে সুপার লিগ নিশ্চিত করেছে চারটি ক্লাব। গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স (সর্বোচ্চ পয়েন্ট নিয়ে), গত আসরের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেড, প্রাইম দোলেশ্বর ও প্রাইম ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটিতে জয় পেতে দারুণ লড়াই করতে হয়েছে শেখ জামালকে। প্রাইম ব্যাংকের দেয়া ২৭১ রানের লক্ষ্য শেখ জামাল টপকায় শেষ ওভারের পঞ্চম বলে মাহমুদুল হকের বাউন্ডারিতে।
শেষ ওভারে শেখ জামালের দরকার পড়ে ১০ রান, হাতে তিন উইকেট। আরিফুল হকের করা ওভারটির প্রথম বলেই চার মেরে জয়ের পাল্লা ভারী করেন ইলিয়াস সানি। পরের বলে সানিকে ফিরিয়ে দেন আরিফুল। ৪৭ বলে ৪৪ রান করে ফিরে যান এই বাঁহাতি। স্ট্রাইকে থাকা মাহমুদুল ১ রান নিয়ে প্রান্ত বদলান। নতুন ব্যাটসম্যান শাহাদাত হোসেন রাজিব আবার ১ রান নিয়ে স্ট্রাইক দেন উইকেটে থিতু হয়ে যাওয়া মাহমুদুলকে। এই ব্যাটসম্যান বাউন্ডারি মেরে ১ বল আগেই দলকে জিতিয়ে দেন। ২৩ বল খেলে ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন মাহমুদুল।
চ্যালেঞ্জিং টার্গেটে খেলতে নেমে শুরুতে উইকেট হারালেও চার নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামা সোহাগ গাজীর ৫৪, ভারতীয় রিক্রুট প্রশান্ত চোপড়ার ৪৮, ফজলে মাহমুদের ৩৬ ও জিয়াউর রহমানের ৩৪ রানে ভর করে লড়াইয়ে থাকে শেখ জামাল।
প্রাইম ব্যাংকের পেসার আরিফুল হক নিয়েছেন চার উইকেট। আল-আমিন হোসেন, তাইবুর রহমান, সালমান হোসেন ও নাজমুল ইসলাম নিয়েছেন একটি করে উইকেট।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে মেহেদী মারুফ ও জাকির হাসান উদ্বোধনী জুটিতে ৯৪ রান যোগ করে লড়াকু সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৭০ রান তোলে প্রাইম ব্যাংক। মারুফ ৬১, অভিমন্যু ইয়াস্বরন ৫৪, আল-আমিন ৪২, জাকির হাসান ৩৪ ও আসিফ আহমেদের ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান।
শেখ জামালের পেসার শাহাদাত হোসেন রাজিব নেন দুটি উইকেট। একটি করে উইকেট নেন জিয়াউর রহমান, সোহাগ গাজী ও তানবীর হায়দার। প্রাইম ব্যাংকের চার ব্যাটসম্যান রান আউটের শিকার হন।







