স্পেন, আর্জেন্টিনা, পর্তুগাল ও জার্মানির মতো জায়ান্টরা বিদায় নিয়েছে বিশ্বকাপ থেকে। কিন্তু বহাল তবিয়তে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে ক্রোয়েশিয়া। তার চেয়েও বড় চমক তাদের প্রতিপক্ষের নামে, স্বাগতিক দেশ রাশিয়া! বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা দেশগুলোর মধ্যে যারা নাকি ছিল সবথেকে পিছিয়ে!
র্যাঙ্কিং নিয়ে ভাবনা মাথায় না এনেও ক্রোয়েটদের দুশ্চিন্তায় থাকছে স্বাগতিক বিষয়ক পরিসংখ্যানও। কারণ বিশ্বকাপে স্বাগতিকদের মুখোমুখি হওয়ার রেকর্ডটা মোটেও ভাল নয় তাদের। ১৯৯৮-তে ফ্রান্স ও ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের মুখোমুখি হয়ে হারের স্বাদ পেতে হয়েছে দলটিকে।
সেমিতে যাবে কারা সেটা জানতে অপেক্ষা করতে হবে শনিবার রাত ১২টায় শুরু হওয়া ম্যাচের পরেই। তার আগে জেনে নেয়া যাক দুই দলের পরিসংখ্যান ও ইতিহাস-
>মাত্র তিনবার মুখোমুখি দেখা হয়েছে ক্রোয়েশিয়া ও রাশিয়ার। ২০১৫ সালের নভেম্বরে প্রীতি ম্যাচটি জিতে ১-০তে এগিয়ে ক্রোয়েশিয়া। বাকি দুটি ম্যাচ হয়েছে ড্র।
>দুবার বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে দেখা হয়েছে ক্রোয়েট-রাশানদের। প্রতিবারই হয়েছে গোলশূন্য ড্র।
>সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর এই প্রথম বিশ্বকাপের শেষ আটে উঠল রাশিয়া।
>১৯৯৮ বিশ্বকাপে প্রথম খেলতে নেমেই তৃতীয় হয়েছিল ক্রোয়েশিয়া।
>গ্রুপ ‘এ’তে উরুগুয়ের পরে থেকে শেষ ষোলোতে পৌঁছেছে রাশিয়া। সেখানে টাইব্রেকে স্পেনের মতো জায়ান্টদের বিদায় করে শেষ আটের টিকিট কাটে স্বাগতিকরা।
>গ্রুপ ‘ডি’ থেকে আর্জেন্টিনার মতো দলকে হারিয়ে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠে ক্রোয়েশিয়া। সেখানে ডেনিশদের পেনাল্টি শুট আউটে হারিয়ে কোয়ার্টারে পৌঁছেছে ক্রোয়েটরা।
>রাশিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি করে গোল আর্টেম জিউবা ও ডেনিশ চেরিশেভের। ক্রোয়েশিয়া সর্বোচ্চ দুটি গোল লুকা মদ্রিচের।
>চোটে থাকা ইউরি ঝিরকভকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় রাশিয়া। একই সমস্যায় ভুগছেন ক্রোয়েশিয়ার ইভান স্ট্রিনিচ।
>রাশিয়ার ফেদর স্মোলভ, আলেক্সান্ডার গোলোভিন, ইলিয়া কুতেপভ, রোমান ঝবনিন আর ইউরি গজিনিস্কি আছেন হলুদ কার্ডে কাটা পড়ার শঙ্কায়।
>আন্তে রেবিচ, ইভান রাকিটিচ, মার্সেলো ব্রোজোভিচ, মারিও মানজুকিচ, মার্কো পিয়াকা, সিমে ভারসালজিকো, ভারদান করলুকা ও টিন জেডভাজ। এই আটজনের অর্ধেকও আরেকটি হলুদ কার্ড খেলেই ভীষণ বিপদে পড়বে ক্রোয়েশিয়া।
>বিশ্বকাপের শেষ আট ম্যাচে হার দেখেনি ক্রোয়েশিয়া।








