রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের পক্ষে বিপক্ষে বিতর্ক আরো জোরালো হচ্ছে। সংসদীয় কমিটি মনে করে, দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সরকার সঠিক পথেই আছে। আর তেল গ্যাস রক্ষা কমিটির দাবি, সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল দিতে হবে দেশবাসীকে।
সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া পশুর নদীতে কয়লার জাহাজ আর সুউচ্চ চিমনী দিয়ে বেরোনো কয়লা পোড়া ছাই এবং রামপালের বিদ্যুৎকেন্দ্রের দূষিত পানি বনের জীববৈচিত্র্য আর পরিবেশকে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির মুখে ফেলবে। এই দাবিতে এখনো সোচ্চার তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি।
ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের দাবিতে আগামী ২০ অগাস্ট ঢাকাসহ সারাদেশে অবস্থান ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে তারা। তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আনু মোহাম্মদ বলেন, যেটা অস্তিত্ব বিপন্ন করে সেটাকে উন্নয়ন বলা যায় না। সেটা শেষ বিচারে গিয়ে বড় ধরনের বোঝা হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর হয়। সেদিকে সরকার যাবে না বলেই আশা করি। সেজন্যই আমরা বলছি প্রথমে এই প্রকল্প বাতিল করেন তারপরে আসেন আমরা বিকল্প নিয়ে চিন্তা করি।
তবে তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটির অভিযোগ খণ্ডন করে নানা যুক্তি তুলে ধরে ধরেন বিদ্যুৎ গ্যাস সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমি মনে করি রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র আমাদের জন্য কোনো হুমকির নয়, আমাদের জন্য কোনোরকম ক্ষতির নয়।
ডিবেট ফর ডেমোক্রাসির উদ্যোগে রাজধানীর শিক্ষার্থীদের নিয়ে ছায়া পার্লামেন্টে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে গণভোটের দাবি উঠেলেও তা বাতিল হয়ে যায় সংসদে।








