ব্যাঙ্গালুরু (কর্ণাটক), ভারত থেকে: ব্যাঙ্গালুরুতে প্রথমে টিম ম্যানেজমেন্ট এমন খবরই পেয়েছিলেন যে আরাফাত সানির বোলিং অ্যাকশন অবৈধ হলেও পেসার তাসকিন আহমেদ সন্দেহমুক্ত। কিন্তু, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আসলো চরম হতাশার সংবাদ। আইসিসি থেকে বিসিবিকে ইমেইলে জানানো হয়েছে, তাসকিন এবং সানি দু’জনের বোলিং অ্যাকশনই অবৈধ। তাই দু’জনই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাময়িক নিষিদ্ধ থাকবেন।
আইসিসির বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সানির পরীক্ষার ফলে দেখা গেছে বল করার সময় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তার কনুই গ্রহণযোগ্য ১৫ ডিগ্রির বেশি বেঁকে যায়।
তাসকিনের ক্ষেত্রে বিস্তারিত কিছু না জানিয়ে আইসিসির বিবৃতিতে থেকে শুধু বলা হয়েছে, তার সব বল বৈধ নয়।
এ নিষেধাজ্ঞার ফলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড টি-২০ বিশ্বকাপ আয়োজকদের কাছে তাদের বিকল্প চাইতে পারবে বলে আইসিসি জানিয়েছে।
সানির জায়গায় আগেই ডাক পেয়েছিলেন সাকলায়েন সজিব। সর্বশেষ বিসিবি থেকে জানানো হয়েছে, তাসকিন আহমেদের জায়গায় যাবেন শুভাগত হোম।
গত ১৪ মার্চ চেন্নাইয়ের শ্রী রামচন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে সানির বায়োমেকানিক্যাল টেস্ট নেয়া হয়। এরপর পরীক্ষা দেন তাসকিন আহমেদ।
বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডের প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হয়েছিলো বাংলাদেশ। জয় পাওয়া ওই ম্যাচের পর তাসকিন আহমেদ ও আরাফাত সানির বিরুদ্ধে অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ আনেন দুই আম্পায়ার।
আইসিসি জানিয়েছে, অন্য দেশের ঘরোয়া টুর্নামেন্টগুলোর জন্যও তাদের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। তবে বাংলাদেশ বোর্ড চাইলে বোর্ডের ঘরোয়া টুর্নামেন্টগুলোতে তারা খেলতে পারবেন।
এর মধ্যে ক্রিকেট বোর্ড তাদের অ্যাকশন শুধরে আবারো পরীক্ষার জন্য পাঠাতে পারবে।






