বেশি বোঝা মনে হলে ভারতীয় ক্রিকেটারদের আইপিএল খেলতে নিষেধ করেছেন দেশটির প্রথম বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব। একইসঙ্গে আইপিএল খেলা মানেই যে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া নয়, সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।
ক্রিকেটের ঠাসা সূচি নিয়ে শেষ কয়েকমাস ধরেই অভিযোগ করে আসছেন বিরাট কোহলিসহ ভারত জাতীয় দলের কিছু ক্রিকেটার। প্রায় সারাবছরই ঘরোয়া-আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয় দেশটির অনেক ক্রিকেটারকে। বিরক্ত হয়ে কোহলি যেমন ইঙ্গিত দিয়েছেন, তিন বছর পর তিন ফরম্যাটের যেকোনো একটি থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি ভারতের জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ব্যস্ত থাকতে হয় আইপিএল নিয়েও। একমাসেরও বেশি সময় ধরে মাঠ গরম করে রাখে দেশটির ফ্র্যাঞ্জাইজি টুর্নামেন্টটি।
আইপিএল নিয়েও একধরনের ক্লান্তিভাব এখন লক্ষ্য করা যাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেটারদের মাঝে। তরুণদের জন্য এই টুর্নামেন্টটি জাতীয় দলে ঢোকার সহজ রাস্তা হলেও জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের জন্য আইপিএল এখন অনেকটা আতঙ্কের মতো। এমনকি গত আসরে ওয়ানডে বিশ্বকাপের কথা চিন্তা করে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দেয়ারও দাবি উঠেছিল! চোটের কথা চিন্তা করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে ওই আসরে পাঠায়নি অস্ট্রেলিয়া। চোটে পড়ে বিশ্বকাপ খেলতে পারেননি সাউথ আফ্রিকান পেসাররা, যার প্রভাব পড়েছিল খেলাতে। আসরে ১০ দলের মধ্যে প্রোটিয়ারা হয়েছিল সপ্তম!
এসব কথা চিন্তা করেই জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের আইপিএল খেলা নিয়ে আরেকবার ভাবতে বলেছেন কপিল। দিল্লীতে এক অনুষ্ঠানে ঘরোয়া ক্রিকেট বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় বিশ্রাম নিতে বলেছেন তিনি, ‘যদি মনে হয় আইপিএল বেশি যন্ত্রণা হয়ে যাচ্ছে, তাহলে খেলো না। আমি বলতে চাচ্ছি, এখানে খেলা মানে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা নয়। যদি বেশি কষ্ট হয় তাহলে অবশ্যই আইপিএল খেলা বাদ দিয়ে বিশ্রাম নেয়া উচিত।’
আইপিএল আর জাতীয় দলের মধ্যকার পার্থক্যও তুলে ধরেছেন কপিল, ‘আইপিএল জনপ্রিয়তা দেয়। আমি চাই না কেউ অর্থ কষ্টে থাকুক। তবে আমি মনে করি জাতীয় দলে খেলার অনুভূতিই অন্যরকম। এটা ক্লাব ক্রিকেট কিংবা আইপিএল দিয়ে বোঝা যাবে না।’








