রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে তিনদিনের মৌ মেলা শুরু হয়েছে। কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, শুধু ওষুধ হিসেবে নয়, মানুষের খাদ্যভাসেও মধুকে যুক্ত করতে হবে।
দেশের মধু চাষীদের উদ্বুদ্ধকরণ, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মধু রপ্তানির উদ্দেশ্য নিয়ে প্রথমবারের মতো শুরু হলো মৌ মেলা।
খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন চত্বরে তিনদিনের মেলায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মৌ চাষীরা মধু নিয়ে হাজির হয়েছেন। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এ মেলা উদ্বোধন করেন।
তিনি বলেন, মধুর উৎপাদন বাড়ানো গেলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে ভবিষ্যতে এ খাত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যাবে।
আমির হোসেন আমু আরোও বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বছরে চার হাজার মেট্রিক টন মধু উৎপাদিত হয়। উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগ ও চাষীর সংখ্যা বাড়ালে বছরে এক লাখ মেট্রিক টন মধু উৎপাদিত হবে বলে বিষেজ্ঞরা মনে করছেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, যেসব ফসল ও ফলে মধু চাষের সম্ভাবনা আছে সেসব ফসল ও ফলের চাষ বাড়ানো, মধু চাষী এবং বাজারজাতকারীর মধ্যে সমন্বয় এবং প্রচলিত মৌ চাষের গণ্ডি বাড়াতে হবে।
মতিয়া চৌধুরী বলেন, মধু এমন একটা জিনিস যেটাতে মানুষ ভেজাল না দিলে মৌমাছি কোনো ভেজাল দিবে না। মৌমাছির ভেজাল দেওয়ার অভ্যাস নাই এরা কোন টেকনোলজিও জানেনা। তারা আমাদের যে জিনিসটা দেবে সেটা একদম খাঁটি।
উদ্বোধন শেষে অতিথিরা মৌ মেলা ঘুরে দেখেন।







