প্রতিপক্ষ উদ্বোধনীতে তুলে ফেলেছে ৪০ রান। তার বোলিংয়ে আসার আগেই। মোস্তাফিজের হয়ত সেটি পছন্দ হল না! পঞ্চম ওভারে আক্রমণে এসেই স্টার্লিংকে সাজঘরের পথ দেখিয়ে রাজশাহীকে ব্রেক-থ্রু দিলেন।
অধিনায়ক ওই এক ওভারের স্পেলই করান মোস্তাফিজকে দিয়ে। পরে যখন আবারও ডাক পড়ল, প্রতিপক্ষের তিন উইকেট নেই। এমন সময় আরেকটি উইকেট মিললে তো খুলনাকে আরও চেপে ধরা সম্ভব।
ফিজের হাতে বল তুলে দিলেন মিরাজ। ১১ ওভারে আক্রমণে এসে আবারও সাফল্য। এবার মিডলঅর্ডারের মেরুদণ্ড, প্রতিপক্ষ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহকে (১১) দারুণ এক কাটারে এলবিডব্লিউ করেন কাটারমাস্টার।
পরের দুই ওভারে অবশ্য আর কোনো উইকেট পাননি। কিন্তু অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দিয়ে ডাক পেয়েই যে ম্যাজিকটা দেখিয়েছেন মোস্তাফিজ, তাতে অন্য বোলাররা উদ্দীপ্ত না হয়ে পারেনই না! সেই উদ্দীপনাই কিনা খুলনা টাইটানসকে মাত্র ১১৭ রানে আটকে রাখল।
দারুণ বোলিংয়ের দিনে বেশ টাইট ছিলেন মোস্তাফিজ। ৪ ওভারে খরচ করেছেন কেবল ১৮ রান, দখলে ওই ২ উইকেট।
রাজশাহী কিংসের বোলারদের মধ্যে উইকেট পেয়েছেন আরাফাত সানি, ইসুরু উদানা, কাইস আহমেদ, সৌম্য সরকারও। উদানার দখলেও গেছে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট।
আর খুলনার হয়ে ছোট পুঁজি আনতে সাহায্য করেছেন পল স্টার্লিং ১৬, জুনায়েদ সিদ্দীক ২৩, ডেভিড মালান ২২, ডেভিড ওয়াইজ ১৪ রানে।








