লক্ষ্যটা ২৬৫ রানের। ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৩ রানে চার ব্যাটসম্যান ফিরে গেলেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে হাতেগোনা কিছু ঘটনা আছে এখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচ জেতার। সাকিব ও মাহমুদউল্লাহর বীরত্বপূর্ণ দুশ পেরোনো জুটিতে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সেটাই করে দেখিয়েছে বাংলাদেশ। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মঞ্চে অবিস্মরণীয় এক জয়।
উইনিং শট যার ব্যাট থেকে এসেছে সেই মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও আপ্লুত এমন জয়ের সাক্ষী হয়ে। শনিবার টিম হোটেলে সংবাদ মাধ্যমকে বললেন, ক্যারিয়ারের খুব ভালো একটা ম্যাচ ছিল এটি।
সাকিব-মাহমুদউল্লাহ শুরুর ধাক্কা কিছুটা সামলে নেওয়ার পরই নাকি বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল ড্রেসিংরুমে থাকা ক্রিকেটারদের, ‘আমাদের খেলোয়াড়দের বিশ্বাস ছিল শেষ পর্যন্ত খেললে জিততে পারব। আমরা সবাই চিন্তা করেছিলাম, দুইটা ব্যাটসম্যান খেলে দিলেই হয়ে যাবে। খুব উৎকণ্ঠায় ছিলাম। সাকিব ভাই, রিয়াদ ভাই পরিস্থিতিটা ভাল বুঝেছে। তাদের ব্যাটিং দেখেই মনে হচ্ছিল জেতার লক্ষ্যেই আগাচ্ছি। একশ রানের জুটি যখন হল, মনে হয়েছে এই জুটিতে আর ৫০ রান এলেই জিতে যাব।’
উইনিং শটের আগে বল হাতে ৩ উইকেট তুলে প্রতিপক্ষের লাগাম টেনে রাখেন মোসাদ্দেক। ডেথ ওভারে বোলিংয়ে এসে করেন দুর্দান্ত স্পেল। অধিনায়ক মাশরাফি বলেছিলেন ডট বল করতে। আর এই অফস্পিনার তিনটি উইকেটই নিয়ে নিলেন।
ডেথ ওভারে বোলিংয়ের চিন্তা করেননি মোসাদ্দেক। কি্তু হঠাতই অধিনায়কের ডাক পড়ে, ‘মাশরাফি ভাই তখন বলল, দুইজন বাঁহাতি আছে। তুই শুধু ডট বলের চেষ্টা কর। চেষ্টা করছি ডট বল করার, যতটা সম্ভব রান আটকানোর। সঙ্গে দুটা উইকেট পড়ে যাওয়াতে রান কম হয়েছিল।’







