চট্টগ্রাম টেস্টের শেষ সেশনের প্রায় পুরোটাই বৃষ্টিতে ভেসে গেলো। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৭৯ রানের সময় বৃষ্টি হানা দেয়। মাঠ খেলার অনুপযোগী থাকায় বেলা ৫টার কিছু আগে দ্বিতীয় দিনের খেলার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। দ্বিতীয় দিন খেলা হয়েছে ৬১ ওভার। মুশফিকুর রহিম ১৬ ও সাকিব আল হাসান ১ রানে তৃতীয় দিনের ব্যাটিং শুরু করবেন।
আগের দিনে ৭ রানে শেষ করা তামিম-ইমরুল স্কোর বোর্ডকে টেনে নিয়ে যায় ৪৬ পর্যন্ত। ১৮ ওভারের দ্বিতীয় বলে ভ্যান জাইল বলের লাইন মিস করে ইমরুল কায়েস কিছুটা এগিয়ে এলে পেছন থেকে উইকেট ভাঙেন উইকেট রক্ষক কুইন্ট ডি কক। ক্রিজে আসেন মুমিনুল হক।
৯ রানের ব্যবধানে মুমিনুলকে ফিরিয়ে সফরকারীদের পক্ষে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন সিমন হার্মার। হার্মারের বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন টেস্ট স্পেশালিস্ট মুমিনুল।
৫৩ ওভারের তৃতীয় বলে টেস্ট ক্যারিয়ারে ১৮তম হাফ সেঞ্চুরি করে ডিন এলগারের বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তামিম ইকবাল। তার সংগ্রহ ছিলো ১২৯ বল থেকে ৫৭ রান।
দলীয় ১৭৮ রানে ফেরেন মাহামুদুল্লাহ। ফেরার আগে ক্যারিয়ারের ১২তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া এ ডানহাতি ফেরেন ভারনন ফিল্যান্ডারের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে।
এর আগে প্রথম দিনে ওয়ানডের মতো জীবনের প্রথম টেস্টেও চমক দেখানো নতুন বোলিং সেনসেশন মুস্তাফিজুর রহমান ইনিংসের ৬০তম ওভারের ১ম, ২য় এবং ৪র্থ বলে তিন প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানকে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান। টাইগারদের এই বোলিং বিস্ময় অল্পের জন্য হ্যাটট্রিক করতে না পারলেও প্রোটিয়াদের দলীয় ১৭৩ রানেই হাশিম আমলা, জেপি ডুমিনি এবং কুইন্টন ডি কককে ফিরিয়েছেন তিনি।
আর লোয়ার অডার্রে ব্যাট করতে নামা ভারনন ফিল্যান্ডার, সিমন হামার্র এবং ডেল স্টেইনকে দ্রুত ফিরিয়ে দেন লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন। প্রথম সেশনে অফস্পিনার মাহমুদুল্লাহর একমাত্র শিকারের পর দ্বিতীয় সেশনে দ্রুত দুই উইকেট তুলে নেন সাকিব আল হাসান এবং তাইজুল ইসলাম।
শুরুটা খুব ভালো না হলেও পরে গুছিয়ে আনছিলেন সাউথ আফ্রিকান ব্যাটসম্যানরা। ৫৮ রানে প্রথম উইকেট পতনের পর দলীয় ১৩৬ রানে দ্বিতীয় উইকেট। একই রানে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ডিন এলগারের পর ফাফ ডু প্লেসিস ফিরে যান। এরপরই অভিষিক্ত মুস্তাফিজের চমক, চার বলে তিন উইকেট। তারপর জুবায়ের ভেলকি। আর সবশেষে আবারো মুস্তাফিজের শিকার।






