ছিটমহল এলাকায় সুদীর্ঘ ৬৮ বছর কোন উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। এমনকি ছিলোনা কোন প্রশাসনিক কাঠামোও। ৩১ জুলাইয়ের পর থেকে এসব ছিটমহল বাংলাদেশের মুল ভূখন্ডের অংশ হয়েছে। ছিটমহল বিনিময় বিল পাস হওয়ার পর থেকেই এসব এলাকার উন্নয়নের জন্য তৈরি পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এখন শুরু হয়েছে।
বিদ্যুৎ সংযোগকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে সবার আগে। চলছে সংযোগ লাইন বসানোর বিভিন্ন মাপজোখের কাজ। সেই সাথে চলছে স্বাস্থ্য সেবার কাজ।
কর্মমুখি শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়ে এসব এলাকার কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার উপর জোর দেওয়ার আহ্বার জানিয়েছেন বিলুপ্ত ছিটমহলের নেতারা।
বাংলাদেশ ভারত ছিটমহল সমন্বয় কমিটির সভাপতি মইনুল ইসলাম বলেন, আইনের শাসন বলতে এই ছিটমহলগুলোতে কিছুই ছিলো না। এখন আর ছিটমহল নেই, এখন আমরা সরকারকে এখানকার সমস্যার কথাগুলো বলতে পারবো।
ছিটমহল এলাকাগুলো দেশের মুল ভুখন্ডের অংশ হওয়ার ২ দিনের মধ্যেই উন্নয়ন কাজ শুরু করেছে সরকার। বিদ্যুত এবং স্বাস্থ্যসেবার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সবার আগে।
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ির নিবার্হী কর্মকর্তা নাসিরউদ্দিন মাহমুদ বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের মাধ্যমে বিদ্যুতায়নের কাজ ইতিমধ্যে শুরু করে দিয়েছেন। এর সাথে ১০ ব্রিজ ও কালভার্টের প্রস্তাব আমরা তৈরি করেছি।
বাংলাদেশ ভারত ছিটমহল সমন্বয় কমিটির সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা বলেন, এখানে কর্মমুখি শিক্ষাটা বেশি দরকার। কারণ এখানে শিক্ষার হার কম। এখানে শিল্পায়ন করা হলে আর কৃষির ব্যবস্থা যদি সরকার করে, তাহলে তা কৃষকের জন্য ভালো হবে।
এসব এলাকার জন্য জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ হওয়া অর্থের পাশাপাশি প্রয়োজনে বিশেষ বরাদ্দ থেকে এসব উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।







