২০২০ সালে বাংলাদেশে সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন (সিএসও) এর স্থায়িত্ব সূচক কিছুটা কমেছে। এ বছর স্কোর ৪.০, যা ২০১৫ সালে ছিল ৩.৫; বাংলাদেশের সূচকটি পাঁচ বছর ধরে কমে যাচ্ছে।
ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএআইডি) ১৯৯৭ সাল থেকে এই প্রতিবেদন তৈরি করছে। ২০২০ সালের সমীক্ষায় ৭৩টি দেশের উপাত্ত বিশ্লেষণ করা হয়। এরমধ্যে আফ্রিকা, এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলো রয়েছে।
একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল প্রাপ্ত তথ্য এবং পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে প্রতিটি দেশের জন্য স্কোর প্রস্তাব করে। যা যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি সম্পাদকীয় কমিটি স্কোর চূড়ান্ত করে এবং প্রতিবেদন তৈরি করে।
সমীক্ষায় সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং সাধারণ মানুষের জন্য সির্ভিল সোসাইটি অরগানাইজেশন এর সক্রিয় ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, বাংলাদেশে ৮৮ হাজারের বেশি বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান সরকার নিবন্ধিত। এরমধ্যে যেমন সমাজ সেবা বিভাগ (ডিএসএস), মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, শ্রম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোসহ অনেক সাংস্কৃতিক সংগঠন, বাংলাদেশে পেশাজীবী সংস্থা ও মিডিয়ার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে।
সমীক্ষা বলছে: ২০১৪-১৫ সাল বাংলাদেশের অবস্থান ছিল সব থেকে ভালো। সে বছর ৩.৫ পয়েন্ট পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর থেকে ০.৫ পয়েন্ট হারায়। যা গত পাঁচ বছর ধরে একই অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া, ২০২০ সালে সিএসও আইনগত পরিবেশ ২০২০ সালে কিছুটা অবনতি হয়েছে। ২০১৯ সালে যেখানে এ সূচকে পয়েন্ট ছিল ৪.৮, ২০২০ সালে তা দাঁড়ায় ৪.৯ এ।







