রাতের বেলা বৃষ্টি তো দূর, মেঘেরও কোনো নামগন্ধ নেই। পরিষ্কার আকাশ মেঘ জমতে শুরু করে ভোর থেকে। সকাল হতে হতে ফাগুনের আকাশ কালবৈশাখী মেঘের মতো ঘনকালো রূপ নিল। দেখে মনে হয় যেন সকালেই সন্ধ্যা নেমেছে।
সকাল ৭টার কিছু পরেই মেঘের তীব্র গর্জনের সঙ্গে শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি। মাঝেমাঝে একটু কমছে, একটু পর আবার দ্বিগুণ গর্জনে বেড়ে যাচ্ছে ঝড়-বৃষ্টির তাণ্ডব। তার সঙ্গে যোগ দিলো শীলাবৃষ্টিও। শীলাবৃষ্টি আর বাতাসের তোড়ে নিজ নিজ কাজে ঘরের বাইরে ছুটে চলা মানুষগুলোর রাস্তার পাশে আশ্রয় নিয়েও যেন পার পাচ্ছে না।
এমনটাই ছিল রোববার সকাল থেকে রাজধানী ঢাকার আবহাওয়া।
ঢাকায় সকাল থেকে বৃষ্টিপাত হলেও শনিবার রাত থেকেই দেশের উত্তরাঞ্চলসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি এবং শীলাবৃষ্টি হচ্ছে।
এই বৃষ্টির ফলে ফাল্গুনের শুরুতে একদিকে যেমন ধুলোবালি থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে, তেমনি মাঘের বিদায়ের পর নতুন করে পাওয়া গেল হালকা শীতের আমেজ।
কিন্তু এর পাশাপাশি হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলগামী মানুষেরা। এই বৃষ্টি ও শীতের কারণে টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নেয়া দেশ-বিদেশের লাখো মুসল্লিও বিপাকে পড়েছেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশে পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশ এলাকায় অবস্থান করছে। এছাড়া স্বাভাবিক মৌসুমী লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
এর ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। তবে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।








