চরের মানুষের জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলা হলে তারা উপকৃত হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম.এ মান্নান।
বুধবার ২২ ডিসেম্বর গবেষণা ভিত্তিক সংগঠন সমুন্নয় এবং চরের মানুষের উন্নয়নে কর্মরত জোট ন্যাশনাল চর অ্যালায়েন্স-এর উদ্যোগে রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘চরের মানুষের জন্য ভূমি: সংস্কার ও সম্ভাবনা’ বিষয়ক এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, চরের মানুষের উন্নয়নের বিষয়টি বিশেষভাবে দৃষ্টিনিবদ্ধ থাকবে।দক্ষ জনবল এবং প্রয়োজনীয় বাজেট দিয়ে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে হবে।
সংলাপে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘‘বাজার অর্থনীতি বর্তমানে এক নয়া বাস্তবতা সৃষ্টি করেছে। এক্ষেত্রে চরের জমির ‘অপারেশনাল’ অধিকারের বাস্তবতাকে মানতেই হবে। বরং চরের মানুষের ভূমি অধিকারের প্রশ্নটির সমাধানের জন্য আমাদের তাত্ত্বিক সমাধানের দিকে না গিয়ে নিজস্ব অভিজ্ঞতা-নির্ভর একটি পথনকশাই দাঁড় করানো উচিৎ।’’
সংলাপ সঞ্চালনা করেন ন্যাশনাল চর অ্যালায়েন্সের সদস্য সচিব জাহিদ রহমান।
সংলাপে অংশগ্রহণকারী বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১০ শতাংশ চরভূমি। চরে যারা বসবাস করেন তাদের বেশির ভাগই কৃষিজীবী এবং মৎসজীবী। দেশের অর্থনৈতিক উন্নতিতে যারা বিরাট অবদান রেখে চলেছেন।
চরের মানুষের উন্নয়নে একটি চর বোর্ড গঠনের পাশাপাশি চরভূমি ব্যবহারের একটা নীতিমালা দ্রুত করা প্রয়োজন। একই সাথে চরের প্রকৃত ভ‚মিহীনদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করে ডাটাবেইস করতে হবে এবং চরের কৃষক ও কৃষাণীদের জন্য কৃষি কার্ড-এর ব্যবস্থা করতে হবে।








