ফ্রান্সের প্যারিসে চলমান বস্ত্র ও তৈরি পোশাক প্রদর্শনী ‘টেক্সওয়ার্ল্ড-অ্যাপারেল সোর্সিংয়ে’ অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের ২৮ প্রতিষ্ঠান। চার দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী শুরু হয় ১৮ সেপ্টেম্বর। তা চলবে ২১ তারিখ পর্যন্ত।
প্রদর্শনীটির আয়োজন করেছে বিশ্বের অন্যতম মেলা আয়োজক জার্মানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মেসে ফ্রাঙ্কফুর্ট।
বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এটি টেক্সওয়ার্ল্ডের ৪১তম প্রদর্শনী। যা ফেব্রিক এবং তৈরি পোশাকের জন্য এখন পর্যন্ত ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী। এখন পর্যন্ত এতে বিশ্বের ১১০টি দেশ থেকে ১৩ হাজারেরও বেশি দর্শনার্থী অংশ নিয়েছে।
এতে আরো বলা হয়, ফ্যাশন, ট্রিমিং এবং আনুষঙ্গিক উপকরণের জন্য বিখ্যাত এই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক প্রদর্শনীতে তৈরি পোশাক থেকে শুরু করে ডেনিম বা জিন্স খাতে কাজ করেন এমন ক্রেতা ও দর্শনার্থীরাই অংশ নেন।
বাংলাদেশ থেকে প্রদর্শক ও দর্শনার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিইর সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দীকুর রহমান, সহসভাপতি মোহাম্মদ নাছির, পরিচালক মিরান আলী, মোহাম্মদ আশিকুর রহমান, মোহাম্মদ আতিকুল করিম খান প্রমুখ।
প্রদর্শনীতে পঞ্চম বারের মতো অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো-ইপিবি। প্রতিষ্ঠানটির অধীনে বাংলাদেশ থেকে অংশ নিয়েছে আকিজ টেক্সটাইল মিলস, আড়ং ডেনিমস, অকো-টেক্স, ব্যাক স্টেজ রেডি ওয়ার, বনিয়ান নিট ফ্যাশন, কোজিয়ার টি, ডি কে নিটওয়ার, ডিজিটাল সোয়েটার অ্যান্ড কম্পোজিট, এক্সপো অ্যাপারেল, কিম্বার্লি অ্যাপারেলস, নিট এশিয়া, এম এন এস নিটওয়ার, নিডল ফ্যাশন, নীর ফ্যাশন, অয়রিটেক্স, পাকিজা নিট কম্পোজিট, সুপারটেক্স মার্চেন্ডাইজিং কোম্পানি, টোডস প্রিন্টিং, ভার্চুয়াল নিটওয়ার ও ইয়াসিন নিটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ।
এছাড়াও ইপিবির বাইরে বাংলাদেশ থেকে আলাদাভাবে অংশ নিয়েছে আরাবি ফ্যাশন, আরগন ডেনিম, এন যে ফেব্রিকস, টিম, টেক্স ঢাকা বিডি, টেক্স-এবো ইন্টারন্যাশনাল, টেক্সইউরোপ, যাবের অ্যান্ড যুবায়ের ফেব্রিকস।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশি প্রতিটি প্যাভিলিয়ন ব্যস্ত ছিলো দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের ভিড়ে। তারা অ্যামেরিকা, যুক্তরাজ্য, তুর্কি, জার্মানি, ফ্রান্স ছাড়াও অন্যান্য ইউরোপিয়ান এবং মধ্য এশিয়ার ক্রেতাদের বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।

মেলায় অংশ নিয়ে এন যে ফেব্রিকসের মার্কেটিং পরিচালক এহসান বলেন, ‘ক্রেতাদের কাছ থেকে আমরা খুবই ভালো প্রতিক্রিয়া এবং মন্তব্য শুনছি। এটা ব্যবসার কাজে লাগানো যাবে।’
যাবের অ্যান্ড যুবায়ের ফ্যাব্রিকের মার্কেটিং ডিরেক্টর সাজেদ বলেন, টেক্সওয়ার্ল্ড হচ্ছে পাশ্চাত্যের ক্রম পরিবর্তনশীল ফ্যাশন এবং প্রাচ্যের উৎপাদনের একটি বড় মিলন মেলা। তাই ফ্যাশন সম্পর্কে ক্রেতাদের ধারনাকে বাস্তবে রূপ দিতেই মেলায় অংশ নিয়েছি।
নিডল ফ্যাশনের পরিচালক মজিদ খান বলেন, চতুর্থ বারের মতো আমরা টেক্সওয়ার্ল্ডে অংশ নিয়েছি। এখানে নতুন ক্রেতা এবং নিজেদের পরিচিতি তুলে ধরা যায়।
আগামী টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং প্যারিস স্প্রিং অনুষ্ঠিত হবে ২০১৮ সালের ১১ ফেব্রুয়ারিতে।








