চলতি জাতীয় ক্রিকেট লিগের শুরু থেকেই ফর্মে সৌম্য সরকার। পেয়েছেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে শতকও। রঙিন পোশাকের সেই ম্যাচ মাতিয়ে সাদা পোশাকের ঘরোয়া লিগে আবারও উজ্জ্বল জাতীয় বাইরে থাকা এ বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। চতুর্থ রাউন্ডের প্রথম দিনে পেয়েছেন অর্ধশতক।
সোমবার ৮ উইকেট নিয়ে দিনটাকে রাঙিয়েছেন স্পিনার নাঈম হাসান। তার পাশাপাশি ৫ উইকেট নিয়েছেন জাতীয় দলের বাইরে থাকা স্পিনার সোহাগ গাজীরও।
ঢাকা বিভাগ-চট্টগ্রাম
কক্সবাজারে টায়ার-২ এর ম্যাচে ঢাকাকে একাই ধসিয়ে দিয়েছেন নাঈম হাসান। ২৮৮ রান করে চট্টগ্রামের বিপক্ষে অলআউট হয়েছে ঢাকা। যেখানে একাই ৮ উইকেট নিয়েছেন ১৭ বছর বয়সী এ অফস্পিনার। ৩৫ ওভার বল করে ১০৬ রানে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেছেন।
২০০৫ সালে বরিশালের বিপক্ষে ৬৭ রানে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন খুলনার অফস্পিনার জামাল বাবু। সেটাই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের সেরা বোলিং। ২০০৭ সালে বরিশালের তরিকুল ৮ উইকেট নিয়েছিলেন ৮৮ রানে, খুলনার বিপক্ষে। সেটা দ্বিতীয় সেরা। নাঈম সেখানে তৃতীয় সেরা হলেন।
নাঈমের দিনে বাকি দুই উইকেট ভাগাভাগি করেছেন শাখাওয়াত হোসেন ও ইরফান হোসেন। ঢাকার হয়ে সর্বোচ্চ ৭২ রান ওপেনার আব্দুল মজিদের। ৫৭ করেছেন শুভাগত হোম।
খুলনা-রাজশাহী
নিজেদের মাঠে দিনশেষে ৭ উইকেটে ২৮১ রান করেছে খুলনা। ইনিংসে ফিফটি হয়েছে তিনটি। কিন্তু এনামুল হকের ৫১ ও তুষার ইমরানের ৭১ ছাপিয়ে শিরোনাম সৌম্যের ৬৬। অলরাউন্ডার জিয়াউর রহমান ৩৭ রানে অপরাজিত।
রাজশাহীর স্পিনার সানজামুল নিয়েছেন ৩ উইকেট।
সিলেট-ঢাকা মেট্টো
রাজশাহীতে এক উইকেট হাতে রেখে দিনশেষ করেছে সিলেট, রান করেছে ২৯২। সর্বোচ্চ ৬০ রান ওপেনার শাহনাজ আহমেদের।
মেট্টোর হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল, কাজী অনীক ও আরাফাত সানির।
রংপুর-বরিশাল
সোহাগ গাজীর তোপে ঘরের মাঠে মাত্র ১৪৭ রানে অলআউট হয়েছে রংপুর। ৪০ রানে স্বাগতিকদের পাঁচ ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরত পাঠিয়েছেন ডানহাতি স্পিনার।
জবাবে স্বস্তিতে নেই বরিশালও। ৩৫ রান তুলতেই হারিয়েছে ওপেনার শাহরিয়ার নাফিস ও শামসুল ইসলামকে।








