চট্টগ্রাম থেকে: জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের ধারাভাষ্যকক্ষে হন্তদন্ত হয়ে ঢুকলেন ওয়াইস শাহ। ইংল্যান্ড থেকে ঢাকা হয়ে রোববার পৌঁছেছেন চট্টগ্রাম। দিতে হবে ইমার্জিং টিমস এশিয়া কাপের ফাইনাল ম্যাচের ধারাভাষ্য। এসেই কাগজ-কলম নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। তাকে সহযোগিতা করছেন আরেক ধারাভাষ্যকার মেহরাব হোসেন জুনিয়র। দু-একবার ধারাভাষ্য দেওয়ার অভিজ্ঞতা আছে মেহরাবের। তাছাড়া নিজ দেশে টুর্নামেন্ট বলে কিছু ধারণা তো আছেই।
একদমই ধারণা নেই শাহ’র। সেমিফাইনালে কারা খেলেছে, কত রানে জিতেছে, ভালো পারফরম্যান্স কাদের ছিল মেহরাবের কাছে শুনে কাগজে টুকে নিচ্ছেন। ছাদে মেঘলা আকাশ দেখতে গেলেন হাবিবুল বাশার সুমন ও শাহরিয়ার নাফিস। ধারাভাষ্যকার হিসেবে এ দুইজনের অভিষেক হচ্ছে আজ। টক শো’তে সাবলীল হলেও ইংরেজি ধারাভাষ্যে এবারই প্রথম তারা। নার্ভাসনেস কাটাতেই কি এদিক-ওদিক ঘোরাঘুরি? নাফীস বললেন, ‘নার্ভাস লাগছে না। প্রথমবার, তাই একটু অন্যরকম লাগছে। বলতে পারেন রোমাঞ্চ কাজ করছে।’ বাশারেরও ভালো লাগছে। জানালেন, বাংলাদেশ দল ফাইনাল খেললে বেশি ভালো লাগতো।
বাংলাদেশ দল ফাইনালে থাকলে তো ধারাভাষ্য কক্ষে যাওয়া হত না বাশারের। তিনিই যে স্বাগতিক দলের ম্যানেজার।

শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের মধ্যে ফাইনাল ম্যাচে আরেক ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খান। পিচ রিপোর্ট দিচ্ছিলেন তখন। টসপর্বও শেষ করলেন। মাঠ থেকে ধারাভাষ্য কক্ষে ফিরতেই বৃষ্টির হানা। বাশার, নাফীসদের অভিষেকের অপেক্ষা কিছুটা বাড়ল।
এখন অবশ্য বৃষ্টি থেমেছে।টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছে পাকিস্তান। গোড়ালির ইনজুরিতে সেমিফাইনালের পর ফাইনালেও খেলতে পারছেন না পাক ওপেনার ইমাম-উল-হক। সেমিফাইনালের একাদশ নিয়েই শিরোপার লড়াইয়ে নেমেছে দু’দল।








