‘জি-সেভেন’ সম্মেলনে বৈশিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানো, মধ্যবিত্ত সমাজের জীবনমান উন্নয়ন, দুর্নীতি প্রতিরোধ, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা এবং ধনীদের কর ফাঁকির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ব নেতারা। এছাড়া ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে গেলে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করেছেন নেতারা।
জাপানের ইসেশিমায় গ্রুপ অব সেভেন, জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনের শেষ দিনের বৈঠকে বিশ্ব অর্থনীতিতে গতি সঞ্চারে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহবান জানান জাপান ও বিশ্বনেতারা। তবে ওই আহবানে অস্বীকৃতি জানিয়েছে জার্মানি ও ব্রিটেন। সম্মেলনে শীর্ষ নেতারা বলেন, মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে বিদ্যমান অর্থনীতি নিয়ে যে হতাশা বাড়ছে, তাতে বিশ্বের ধনী ও গরিবের মধ্যে বৈষম্য তৈরী হচ্ছে। এ অবস্থার পরিবর্তনে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানান তারা।
আলোচনায় বিশ্বজুড়ে মধ্যবিত্তের জীবনমানের দুর্দশা উঠে এলেও শিল্পোন্নত সাত দেশের কারা কত ব্যয় করবে সে বিষয়ে একমত হননি শীর্ষ নেতারা। তবে মধ্যবিত্তের অবস্থা পরিবর্তনে বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং প্রযুক্তি খাতে ব্যয় বাড়ানোর কথা বলেছে ইইউ প্রতিনিধিরা।
সম্মেলনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার ফলে মারাত্মক বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি। হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করেছেনে জি-সেভেন নেতারা।
সম্মেলনের চূড়ান্ত ঘোষণায় আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, ব্রিটেন ইইউ ছেড়ে বেরিয়ে গেলে বৈশ্বিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান খাতে নিম্নমুখীতার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে। বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধিকে টিকিয়ে রাখাকে বিশ্বের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তারা।
সম্মেলনে বিশ্ব অর্থনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য, সন্ত্রাসবাদ, দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যু, সাইবার নিরাপত্তা, নারীর ক্ষমতায়ন, শরণার্থী সংকট, এবং সমুদ্রসীমার নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।







