তনু হত্যাকাণ্ডের ১০ দিন পরও রহস্যের কোনো কূল-কিনারা হয়নি। তনুর ঘাতক কারা, কেনোই বা তাঁকে হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। ঘাতকদের খুঁজে বের করতে সব ধরণের সহযোগিতা দেয়ার কথা বলছেন কুমিল্লা সেনানিবাসের সেনা কর্মকর্তারা।
২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাস সংলগ্ন এলাকায় পাওয়া যায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ। তনুকে হত্যার পর ঘাতকরা ওই স্থানে লাশ ফেলে গেছে, নাকি ওখানেই তনুকে হত্যা করা হয়েছে সেটি এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি কেউ।
বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান কুমিল্লা সেনানিবাসের কর্মকর্তারা। তনুর মরদেহ পাওয়ার স্থানসহ অন্যান্য আলামত দেখন তারা।
সর্বদা প্রাণচাঞ্চল্য মেয়ে তনুকে হারিয়ে নির্বাক তার বাবা মা ও স্বজনরা। কারা তাদের মেয়েকে হত্যা করেছে বারবার এই উত্তর খুঁজে ফিরছেন তারা।

অপরাধীর শাস্তি চেয়ে তনুর বাবা বলেন, যারা আমার মেয়েকে খুন করছে আমি তাদের বিচার চাই। ক্যান্টনম্যান্টের কাছে, প্রশাসনের কাছে বিচার চাইছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছেও সুষ্ঠু বিচারের আকুল আবেদন জানান তিনি। কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পরেন তনুর মা।
কুমিল্লা সেনানিবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, তদন্ত সংস্থার পাশাপাশি পুরো ঘটনাই তদন্ত করে দেখছেন তারা। ঘাতক যেই হোক তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর দাবিও তাদের।
কুমিল্লা সেনানিবাসের ব্রি. জেনারেল কাজী শওকত আলম বলেন, সোহাগী জাহান তনু, সে আমাদের অন্য যেকোন সদস্যের মেয়ের মতোই। আমরা সেভাবেই দেখি। আমরা এ ব্যাপারে খুবই মর্মাহত। অত্যন্ত ব্যাথিত। আমরা সর্বাত্মকভাবে পুলিশকে, তদন্তকারী সংস্থাকে প্রথম থেকেই সাহায্য সহযোগিতা করে আসছি, এখনও করছি এবং আগামীতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখবো বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।
এখনও সেনানিবাসের অনেক স্থানেই বাউন্ডারি না থাকায় বাইরে থেকেও লোকজন মাঝে মাঝে ঢুকে পড়ে বলে জানিয়েছেন সেনা কর্মকর্তারা।







