“চ্যানেল আই সব সময়ই নতুনত্ব-ভিন্নতা নিয়ে আসে। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে, হৃদয়ে মাটি ও মানুষকে ধারণ করে ১৮ বছর ধরে পথ চলা চ্যানেল আই এবার ১৯ বছরে পা রাখলো। এই দীর্ঘ পথচলায় ক্লান্তিতে পিছিয়ে না গিয়ে বরং চ্যানেল আই অনলাইনের মতো নতুন নতুন সংস্করণে সবার আরও কাছে যাচ্ছে চ্যানেলটি।”
চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে এসে লাল-সবুজের চ্যানেলের ১৯ বছরে পদার্পণের শুভেচ্ছা জানিয়ে এই কথাগুলো বলেছেন বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। দেশের প্রথম ডিজিটাল বাংলা স্যাটেলাইট চ্যানেলটি সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ পথের পথিক হওয়ায় ব্যক্তিগত সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন তিনি।
তারানা হালিম চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন,‘সব মিলিয়ে আমার কাছে চ্যানেল আই ঐতিহ্য-আধুনিকতার মিশেলের একটি চ্যানেল।’
দেশ ও ছয় মহাদেশের বাঙালি দর্শকদের আরও ঝকঝকে ছবি-শব্দের অনুষ্ঠান-সংবাদ দিতে চ্যানেল আই এখন এইচডি।
দেশের সংস্কৃতিকে ধারণ করে যুগের সঙ্গে চলা চ্যানেলের জন্মদিনে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন,‘ঐতিহ্যের পাশাপাশি প্রতি সময়েই যুগের চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে নিত্য-নতুনভাবে আবির্ভূত হচ্ছে দর্শকের সামনে। চ্যানেলটি আরও উন্নতমানের দৃশ্য-শব্দের মাধ্যমে জনগণের বিনোদন-তথ্য পরিবেশনের উদ্যোগ নিয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য সব কিছুতেই পরিবর্তন আশা করি আমরা। এই সহযাত্রায় চ্যানেল আই প্রযুক্তিগত নতুনত্বে আমাদের সঙ্গেই আছে।’
লাল সবুজের চ্যানেল আই ১৯৯৯ সালের অক্টোবরের ১ সম্প্রচার শুরু করে। প্রথম ডিজিটাল বাংলা টেলিভিশন চ্যানেলটি যাত্রা শুরুর পর এতে ধীরে ধীরে সংযুক্ত হয় সংবাদ। স্মার্ট প্রজন্মের স্মার্টফোনে অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের মতোই নিজেকে মেলে ধরতে দু’বছর আগে যাত্রা শুরু করে চ্যানেল আই অনলাইন। নতুনের জয়গানে মুখরিত পথচলায় সর্বশেষ সঙ্গী ঝকঝকে-স্বচ্ছ পর্দার চ্যানেল আই এইচডি।








