নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের কাছে সবচে জনপ্রিয় ট্রেন । রাজধানীবাসীর ঈদের আনন্দযাত্রায় এবারও সবচেয়ে বেশি মানুষ ভ্রমন করে ট্রেনে।
ঈদ আসলেই স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ঈদের আগে ও পরে ৫ থেকে ৬গুন যাত্রী বেশি হয় ট্রেনে। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই যাত্রীরা রাজধানীর প্রধান রেল স্টেশন কমলাপুরে এসে অপেক্ষায় থাকেন গন্তব্যের ট্রেনের। আমাদের যাত্রা কমলাপুর থেকে ময়মনসিংহগামী অগ্নিবীনা এক্সপ্রেস ট্রেনে।
শনিবার যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় আধঘন্টা পর কমলাপুর ছাড়লো অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস। শুরুর স্টেশনেই আসনের চেয়ে বেশি যাত্রী হওয়ায় দেরিতে আসা যাত্রীদের ঠাই হয় দরজার কাছে।
এয়ারপোর্ট স্টেশনে গিয়ে আরো গাদাগাদিভাবে উঠলেন কমলাপুরের সমপরিমান যাত্রী। দেরিতে ট্রেন আসা এবং ভ্যাপসা গরমে বেশিরভাগ যাত্রী বিরক্ত থাকলেও ঈদে বাড়ি যাওয়ার আনন্দটা ছিল সবার মুখে।
টঙ্গী, ধীরাশ্রম, জয়দেবপুর এবং রাজেন্দ্রপুর স্টেশনে ক্রসিং বিরতি দিয়ে অগ্নিবীণা ট্রেন ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে পৌঁছে দুপুর একটায়। এবার সবার নামার পালা।
একটি পরিবারকে লক্ষ্য রেখে তাদের পেছনে যাত্রা করে গফরগাঁও স্টেশন থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দুরত্বের সিফান গ্রামের হারুন অর রশীদের স্বপরিবার যখন বাড়িতে পৌঁছালেন আগে থেকে অপেক্ষায় থাকা মায়ের মনে তখন ঈদ আনন্দ শুরু।








