নর্থ কোরিয়ার বিরুদ্ধে বারবার মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ শোনা গেলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নর্থ কোরীয় নেতা কিম জং উনের ঐতিহাসিক বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে জায়গা পায়নি মানবাধিকার ইস্যু।
ধারণা করা হচ্ছে, বৈঠক যেন আটকে না যায় এবং পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের আলোচনায় যেন বাধা না পড়ে, সেজন্যই এই বিষয়টিকে সচেতনভাবে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে।
প্রথম থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল, পরমাণু নিরস্ত্রীকরণই বৈঠকের মূল আলোচনার বিষয় হতে পারে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা ও অবরোধ প্রত্যাহার চায় নর্থ কোরিয়া।
বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সামনে ট্রাম্প নিজেও বলেন, তারা দু’জনে মিলে কোরীয় উপদ্বীপকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত করার মতো বিরাট জটিল ইস্যুর সমাধান করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী।
মানবাধিকারকে আলোচ্যসূচিতে না রাখার বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করেছেন সাউথ কোরিয়ার বুসান ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রবার্ট কেলি। বিবিসি’কে তিনি বলেন, মানবাধিকার আলোচ্যসূচিতে না থাকার কারণ, যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি নিয়ে কথা বললে নর্থ কোরিয়ানরা খুব খারাপ প্রতিক্রিয়া দেখান।
মানবাধিকারের কথা তোলার কারণে নর্থ কোরিয়ার সঙ্গে এর আগের বৈঠকগুলো সফল হয়নি। তাই যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, এই বিষয়টিকে ভবিষ্যতে আলোচনার জন্য রেখে দিতে হবে। যাতে অন্তত আলোচনার বল গড়ানো অন্তত শুরু হয়।
তবে যদি এভাবে আলোচনা ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকে, তখন মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে এই ইস্যুটা উত্থাপনের চাপ বাড়তে থাকবে,’ বলেন এই অধ্যাপক।







