নোয়াখালী ও রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের পৃথক দুটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনে উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুকসহ বিএনপির ২৯ নেতাকর্মীকে আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি আমীর হোসেনের অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এই আদেশ দেন। আদালতে জামিন অবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন, তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব এবং সানজিদ সিদ্দিকী।
ব্যারিস্টার সানজিদ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের বলেন, নোয়াখালীতে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকে কেন্দ্র করে গত ২৯ আগস্ট বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ৩০ আগস্ট জয়নুল আবদীন ফারুকসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে নোয়াখালীর সেনবাগ থানায় মামলা করেন জনৈক আব্দুল আল মামুন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, জয়নুল আবদীন ফারুকের সঙ্গে মামলার বাদী আব্দুল আল মামুনের দীর্ঘ দিনের দলীয় অভ্যান্তরীরণ বিরোধ চলছিল। গত ২৯ আগস্ট নোয়াখালীর সেনবাগে বাদী বন্যা দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করতে গেলে সেখানে আসামীরা সংঘবদ্ধ হয়ে আক্রমণ করে ও বাধা সৃষ্টি করে।
অপরদিকে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি অবমাননায় মামলাটি হয় ২৭ আগস্ট। এই মামলায় রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি দিলদার হোসেনসহ স্থানীয় ১০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলাটি করেন কাপ্তাইয়ের ওয়াগ্না ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চিরঞ্জিত তঞ্চঙ্গ্যা। এতে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই ওয়াগ্না ইউনিয়ন পরিষদে বিএনপির সদস্য সংগ্রহের সময় বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি অবমাননার অভিযোগ আনা হয়।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ১৮ আগস্ট ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ের তালা ভেঙে আসামিরা হলরুমে ঢুকে এবং হলরুমের দেয়ালে ঝুলানো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি নিয়ে কটুক্তি করে। এমনকি তারা ছবি দুটি উল্টিয়ে এবং দলীয় ব্যানার টাঙিয়ে সভা করে।
সানজিদ সিদ্দিকী বলেন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সংরক্ষণ আইন-২০০০ আইনটি বাতিল হয়ে গেলেও ওই আইনের ৫ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।







