জেনেভায় অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের (ইউএনএইসআরসি) সম্মেলনে নেপালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংঘর্ষ, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও জাতিগত বৈষম্য নিয়ে ভারত গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এটাই ভারতের প্রথমবারের মতো নেপাল বিরোধী অবস্থান গ্রহণ। জবাবে নেপালের উপ-প্রধানমন্ত্রী কমল থাপার নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন নিয়ে সৃষ্ট সংঘর্ষে উস্কানি দান ও পণ্যবাহী ট্রাকের সীমান্ত অতিক্রম করতে না দেয়ার জন্য ভারতকে অভিযুক্ত করেছে।
থাপা তার বক্তব্যে বলেন, ‘ট্রানজিট ও পণ্য সরবারহে বাঁধা দানসহ অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নিজের সংবিধান রচনার এক্তিয়ারও কি নেপালি কর্তৃপক্ষের নেই?’
নেপালের নতুন সংবিধান প্রণয়নে ভারতের হস্তক্ষেপের প্রতিবাদ করায় ভারত নেপালে জ্বালানিসহ প্রয়োজনীয় পণ্যবাহী ট্রাক সীমান্তে আটকে দেয়। ফলে নেপালে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের অভাবে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে চীনের সহায়তায় আপাতত সে বিপর্যয় সামলে উঠেছে নেপাল।
নেপালের রাজনীতিতে ভারতের হস্তক্ষেপ আগে দেখা গেছে। তবে সংবিধান প্রণয়ন নিয়ে ভারতের দাবির নিকট মাথা নত না করে ভারতের বলয় থেকে বের হয়ে আসার যে ইঙ্গিত নেপাল দিয়েছিলো জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের সম্মেলনে ভারতের বক্তব্যের প্রতিবাদ করে তার স্বাক্ষর রাখলো বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।






