মেয়র নির্বাচনে ভোটের মাঠে এবং কৌশলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাথে পেরে উঠতে না পারার কারণ হিসেবে সাংগঠনিক দুর্বলতাকে দায়ী করছে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি। সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক দু’জনেই দাবি করেছেন, সুবিধাবাদী ও দলের প্রতি নিষ্ঠাবান নয় এমন নেতৃত্ব পরিবর্তন করে ত্যাগী ও সাংগঠনিক কর্মীদের দায়িত্ব দেয়ার সময় এসেছে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হঠাৎ সরে দাঁড়ায় বিএনপি ও বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী। শুধু তাই নয়, রাজনীতি থেকেই সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন পুর্ননির্বাচনের লড়াইয়ে থাকা সাবেক মেয়র মঞ্জুর আলম। নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দাবি, প্রার্থী মনোনয়নেই ভুল ছিলো।
বিগত সময়ে মেয়র থাকলেও দলের প্রতি প্রার্থীর প্রতিশ্রুতি না থাকায় তার পক্ষে নেতা-কর্মীরা কাজ করেননি। ফল হিসেবে ভোটের মাঠে মার খেয়েছে বিএনপি যার জের টানতে হবে অনেকদিন। চট্টগ্রাম বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ড মনিটরিং করা হচ্ছে। যারা কাজ করেননি তাদেরকে একটি ক্যাটাগরিতে ফেলে সামনে প্রতিটি ওয়ার্ডে বিএনপি’র অঙ্গ-সংগঠনের সম্মেলন হবে।
পরাজয়ের জন্য তার ভাষায় আওয়ামী লীগের আগ্রাসী ‘ভোট সন্ত্রাসকে’ দায়ী করলেও মহানগর সভাপতি স্বীকার করলেন, আত্মশুদ্ধি ও আত্মসমালোচনার সময়ও এসেছে। ত্যাগী নেতাদের দায়িত্ব দিয়ে দল পুনর্গঠন করা না হলে নতুন বাস্তবতায় দলের জনপ্রিয়তাকে ধরে রাখা কঠিন হবে।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সভাপিত আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, নতুন প্রেক্ষাপটে দলকে সংগঠিত করতে অচিরেই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
মূল সংগঠন ও অঙ্গসংসগঠনের শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যায়ে পরিবর্তন আসছে। শুধু চট্টগ্রাম মহানগর নয় পুরো দেশেই বিএনপি পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়া হবে।
চট্টগ্রাম বিএনপির তৃণমূল থেকেও তাগিদ আছে কমিটি পুনর্গঠনের।







