চট্টগ্রাম থেকে: চট্টগ্রাম বিভাগীয় টেনিস কমপ্লেক্স উদ্বোধনের ২১ বছর পেরিয়েছে। রয়েছে চারটি কোর্ট, দর্শক গ্যালারি। অবকাঠামো থাকার পরও খেলা হয়নি এখানে। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণের অবকাঠামোটি।
কোর্টের লোহার বেষ্টনি মরিচা ধরে ধ্বংসের পথে। ২০০০ সালের ১৭ নভেম্বর টেনিস কমপ্লেক্সটির উদ্বোধন করেন সেসময়কার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। কমপ্লেক্সে কেনো আজও খেলার উদ্যোগ নেয়া হয়নি তা বিস্মিত করে সবাইকে। স্থানীয় এক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বললেন, উদ্বোধন পর্যন্তই। এখানে কোনোদিন খেলা হয়েছে শুনিনি।
উদ্বোধনের পর কেটে গেছে বছরের পর বছর। তারপরও কেনো খেলা হয়নি সে ব্যাখ্যায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সিরাজউদ্দিন মো. আলমগীর চ্যানেল আই অনলাইনকে বললেন, ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এটি নির্মাণের পর কাউকে হ্যান্ডওভার করেনি। আমরা কয়েকবার চিঠি দিলেও তার উত্তর পাইনি। স্কুলের ছেলে-মেয়েরা যেন এখানে টেনিস খেলতে পারে সেজন্য আমরা উদ্যোগ নিচ্ছি। জেলা ক্রীড়া সংস্থা অর্থ যোগান দিয়ে এটিকে খেলার উপযোগী করবে।’
বন্দনগরীর জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে পার্কিং এরিয়ার পাশে ক্রিকেটারদের জন্য তৈরি করা হচ্ছে নতুন দশটি উইকেট। তার পাশেই অনেকটা জায়গাজুড়ে দাঁড়িয়ে আছে টেনিস কমপ্লেক্স।
সেখান থেকে উত্তর দিকে তাকালেই চোখে পড়ে আধুনিক ইনডোর নির্মাণের কাজ। পাশের পরিত্যক্ত জায়গায় করা হবে প্র্যাকটিস গ্রাউন্ড। পশ্চিম পাশের খালি জায়গায় একাডেমি ভবন করার ভাবনা আছে বিসিবির। সব কাজ শেষ হলে ক্রিকেট কমপ্লেক্স হয়ে উঠবে সাগরিকার জহুর আহমেদ স্টেডিয়াম।
আউটারে কংক্রিটের টেনিস কমপ্লেক্স হয়ে উঠতে পারে টেস্ট ভেন্যুর বিষফোঁড়া। এটির প্রয়োজন আদৌ আছে কিনা সেটি নিয়ে উঠতে পারে প্রশ্ন। এ প্রসঙ্গে বিসিবির সাবেক পরিচালক, ক্রীড়া সংগঠক সিরাজউদ্দিন মো. আলমগীর বললেন, ‘এই স্টেডিয়ামের নকশায় টেনিস কমপ্লেক্স ও সুইমিংপুল ছিল। টেনিস কমপ্লেক্স হলেও সুইমিংপুল এখনো আলোর মুখ দেখেনি। অনেক পরে স্টেডিয়ামটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যুর মর্যাদা পেয়েছে।’








