খুলনা সিটি কর্পোরেশন নিবার্চনকে সামনে রেখে সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হামলা, ভাংচুর, ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুু।
এছাড়া বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্বাচনে কাজ না করতে পারে সেজন্য পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করছে বলে অভিযাগ আনেন এই প্রার্থী। গত তিনদিনে এ ধরনের পাঁচ-ছয়টি হামলা, ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু পুলিশ, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
সোমবার দুপুরে বিএনপির কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রচার প্রচারণার আগেই বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক ও ভোটারদের পুলিশ ও প্রশাসন দিয়ে ভীতসন্ত্রস্ত পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। যেন কোন ভোটার ভোট কেন্দ্রে যেতে না পারে। এভাবে বৈরী পরিবেশ তৈরি করে আওয়ামী লীগের লোকজন ভোট ডাকাতির নির্বাচন করে বিজয়ী হতে চেষ্টা করছে। তিনি পুলিশ, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের কাছে সুষ্ঠ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য বিএনপির নেতাকর্মীদের হয়রানি করা থেকে বিরত থাকার আহবান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক আমীল এজাজ খান, যুগ্ম-সম্পাদক তারিকুল ইসলাম, সেকেন্দার আলী ডালিমসহ মহানগর ও জেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচনে শেষ দিনে ১৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার, ২৪ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্ধের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছে।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের আগামী ১৫’মের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার আজ শেষ দিন থাকলেও কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ ১৯জন প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পরে সন্ধ্যায় চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবেন রিটার্নিং অফিসার।
তবে মেয়র পদে পাঁচজন প্রার্থীই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন। আওয়ামী লীগের সাবেক মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জাতীয় পার্টির এসএম শফিকুর রহমান মুশফিক, সিপিবির মিজানুর রহমান বাবু ও ইসলামী আন্দোলনের মো: মুজাম্মিল হকসহ কেউই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করছেন না।
৩১টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৮১ জন ও সংরক্ষিত ১০টি ওয়ার্ডে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৪৪জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ হয়।
এদিকে, নির্বাচনের আচরণবিধি সুষ্ঠুভাবে প্রতিপালনে ১০জন নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মনিটরিং কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার মো: ইউনুছ আলী।







