আর ৭ থেকে ৮ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত হবে বলে মনে করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আসন্ন বাজেট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, স্বপ্ন পূরণের পথেই হাঁটছে বাংলাদেশ। বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর আওতা এবং উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলেও মত দিয়েছেন তিনি।
নতুন উদ্যোগ হিসেবে বাজেটে পিছিয়ে পড়া এলাকার জন্য বিশেষ বরাদ্দ, প্রতিবন্ধিদের প্রতি বাড়তি মনোযোগ এবং সংখ্যালঘুদের জন্য বরাদ্দ বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২য় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে কল্যাণ রাষ্ট্রের ধারণা দেযা আছে। সেখানে ঘোষণা আছে নাগরিকের অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, চিকিৎসা, শিক্ষাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা করবে রাষ্ট্র।
এমনকি সামাজিক নিরাপত্তা অধিকারের কথা বলতে গিয়ে বেকার ভাতার কথাও বলা আছে সংবিধানে। এর আলোকে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরীক্ষামূলকভাবে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচী চালু করেন। সেই থেকে সব সরকারই এটার কলেবর বাড়িয়েছে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে কল্যাণ রাষ্ট্র কি হয়েছে বাংলাদেশ?
তবে ধীরে হলেও কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি মনোযোগে এসেছে নীতি নির্ধারকদের। সেজন্যই পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীকে টার্গেট করে এলাকাভিত্তিক বরাদ্দের দিকে যাচ্ছে সরকার।
এই মেয়াদে ক্ষমতার শেষ বছর ২০১৮ সালের বাজেটে সবার জন্য সার্বজনীন পেনশন স্কিম চালুর রূপরেখাও দিয়ে যাবেন অর্থমন্ত্রী। যদিও চলতি অর্থবছরের বাজেটে এটা চালুর কথা বলেছিলেন তিনি।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:








