দক্ষিণ এশিয়া থেকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করতে হলে এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহায়তা বাড়ানো প্রয়োজন। ঢাকায় তৃতীয় সার্ক কৃষিমন্ত্রীদের সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সার্ক ফুড ব্যাংক ও সিড ব্যাংক গঠনের ওপরও জোর দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশে খাদ্য নিরাপত্তা তৈরির জন্য উপযুক্ত আইনি কাঠামো প্রণয়ন ও প্রয়োগে বাংলাদেশ অঙ্গীকারাবদ্ধ।
সার্কভুক্ত ৮টি দেশের কৃষিমন্ত্রীদের তৃতীয় সম্মেলন রাজধানীতে। প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভারতের কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী রাধা মোহন সিং।
খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ৮টি দেশকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এ অঞ্চলে কৃষির উন্নয়ন এবং স্থানীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আরো গভীর সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, আমাদের সমস্যাগুলি প্রায় একই রকম। দারিদ্র হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু। দারিদ্রকে মোকাবেলা করতে হলে আমাদের সকলের একযোগে কাজ করা একান্তভাবে প্রয়োজন। আমরা সার্ক ফুড ব্যাংক ও সার্ক সিড ব্যাংক প্রস্তুত করতে চাই। যেকোনো দুর্যোগ মোকাবেলায় যেমন এটা অপরিহার্য, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় অনেক সময়ে বীজেরও অভাব হতে পারে। সেজন্য এসব সমস্যার সময় যেন আমরা এক দেশ অন্য দেশের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়াতে পারি সেজন্য উদ্যোগ নেওয়া দরকার। এই জন্য সার্ক সীড ব্যাংক করা উচিত তেমন সার্ক ফুড ব্যাংকও অনেক জরুরী।
তিনি আশা, কৃষিমন্ত্রীদের এ সম্মেলন এ অঞ্চল থেকে ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূর করতে সহযোগিতা করবে। তিনি আরো বলেন, আমরা দক্ষিণ এশিয়ার সকলে দেশে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো, এই সম্মেলনে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। খাদ্য উৎপাদন, জনগণের জন্য পুষ্টি বিধান সর্বোপরি দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশে খাদ্য নিরাপত্তা তৈরির জন্য উপযুক্ত আইনি কাঠামো প্রণয়ন ও প্রয়োগে বাংলাদেশ অঙ্গীকারাবদ্ধ।
টেকসই কৃষি উন্নয়নের জন্য স্বল্প দামে কৃষি বীজ সরবরাহ, কৃষি উৎপাদন খরচ কমানো, প্রন্তিক চাষীদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং কৃষি বিপণন ব্যবস্থা জোরদার করার তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।







