হাতে হাতে মোবাইল। চোখের পলকে নাগালে সারা বিশ্বের খবর। দেশের প্রথম ক্রীড়াবিষয়ক ম্যাগাজিন ক্রীড়াজগতও সময়ের দাবি মিটিয়ে নিজেদের এভাবে উপস্থাপন করার পরিকল্পনা করছে। ম্যাগাজিনটির ৪০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে এ কথা জানানো হয়েছে।
সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ১৯৭৭ সালের ২০ জুলাই প্রথম সংখ্যা বের হয় ক্রীড়াজগতের। দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রের অনেক উত্থান-পতনের সাক্ষী এই ম্যাগাজিনটি।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘ম্যাগাজিনটির অনলাইন ভার্সন থাকলে আরও বেশি মানুষ পড়ার সুযোগ পাবে। এটি এখন সময়ের দাবি।’

ক্রীড়াজগতের জন্মলগ্ন থেকে লিখে যাচ্ছেন ইকরামউজ্জামান। সময়ের চাহিদা মেটাতে ই-ম্যাগাজিন করার পক্ষে এই ক্রীড়া বিশ্লেষকও, ‘সামনে অনলাইন সবচেয়ে বেশি কার্যকরী হবে। কারণ আপনি যুগকে অস্বীকার করতে পারবেন না। এখন কিন্তু পুরো দুনিয়াতে প্রিন্ট মিডিয়া একটি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। অনলাইন করলে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা যাবে।’
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যান শ্রী বীরেন শিকদার কথা দিয়েছেন, ‘এ ব্যাপারে যা যা দরকার করা হবে।
এক সময় নিউজপ্রিন্ট কাগজে বের হতো ক্রীড়াজগত। এখন বের হচ্ছে হোয়াইটপ্রিন্টে। আগামীতে রঙিন করে ম্যাগাজিনটি বের করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

অনলাইনের বিকাশে কাগজে বের হওয়া সংখ্যা চ্যালেঞ্জিং বলে মানছেন ম্যাগাজিনটির সম্পাদক মাহমুদ হোসেন খান দুলাল।
৪০ বছর পূর্তির বিশেষ সংখ্যায় লিখেছেন এমন ক্রীড়ালেখক, বিশ্লেষক, ক্রীড়া সম্পাদক, সম্পাদকরাও উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত নারী ক্রীড়াবিদ ও সংগঠকরাও ছিলেন অনুষ্ঠানে। ম্যাগাজিনে শুরু থেকে এখনও লিখে যাচ্ছেন এমন তিন বিশিষ্ট লেখকে সম্মাননা দেওয়া হয়। তারা হলেন মো. কামরুজ্জামান, ইকরামউজ্জামান ও সানাউল হক খান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগঠক ও আওয়ামী লীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশীদ, আর্চারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রাজিবউদ্দিন আহমেদ চপল ও ক্রীড়া পরিষদের সাবেক সচিব এএসএম আলী কবির।








