লঙ্কান বোর্ড কাজে হস্তক্ষেপ করায় ক্ষোভে কোচের পদ ছেড়েছেন গ্রাহাম ফোর্ড। সদ্য সাবেক গুরুর এই বিদায় মেনে নিতে পারছেন না কুমার সাঙ্গাকারা। লঙ্কান কিংবদন্তির শঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে শ্রীলঙ্কা কোচই পাবে না।
দ্বিতীয় মেয়াদে ১৫ মাস দায়িত্ব পালন করার পর শনিবার লঙ্কানদের কোচের পদ ছাড়েন গ্রাহাম ফোর্ড। দেশটির বোর্ড সভাপতি থিলাঙ্গা সুমাথিপালার দাবি, দুপক্ষের সমঝোতায় শেষ হয়েছে ফোর্ডের চুক্তি। কিন্তু ক্রিকইনফো জানাচ্ছে, কোচের কাজে বোর্ডের হস্তক্ষেপের জেরে ক্ষোভে পদ ছেড়েছেন ফোর্ড।
ছয় বছরের মধ্যে আটবার কোচ পরিবর্তন হলো লঙ্কানদের। নয় নম্বর কোচের খোঁজে যখন ব্যস্ত বোর্ড তখনই প্রশ্ন তুললেন কুমার সাঙ্গাকারা। টুইটারে এই কিংবদন্তির প্রশ্নের আড়ালে মিশে থাকলো আশঙ্কাও, ‘যে হারে কোচের পদ পরিবর্তন হচ্ছে এভাবে চলতে থাকলে কী শ্রীলঙ্কার জন্য কোচিং করার মতো কেউ থাকবে?’
বোর্ডের সঙ্গে ফোর্ডের দ্বন্দ্বের প্রধান কারণ আশাঙ্কা গুরুসিনহা। গত ফেব্রুয়ারিতে তাকে ক্রিকেট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেয়ার পর থেকেই কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ করে আসছিলেন লঙ্কানদের সদ্য সাবেক কোচ। সাঙ্গা প্রশ্ন তুলেছেন এই বিষয়টি নিয়েও, ‘ক্রিকেট ম্যানেজার জিনিসটা কী? ইংল্যান্ডের একজন পরিচালক আছে, দলের ম্যানেজার আছে। কখনো ক্রিকেট ম্যানেজার বলে কিছু শুনিনি।’
ফোর্ডের বিদায়ে কষ্ট পেয়েছেন মাহেলা জয়াবর্ধনেও। টুইটারে ফোর্ডের বিদায়কে লঙ্কানদের জন্য লজ্জাকর বলেছেন এই কিংবদন্তি, ‘যদি সব গুজব সত্যি হয় তবে কোচ আসল সিদ্ধান্তটাই নিয়েছেন। ফোর্ডিকে হারানো শ্রীলঙ্কার জন্য লজ্জার। সে সত্যি অসাধারণ ছিল।’








