চীন থেকে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে বিশ্বব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বৃহস্পতিবার এক জরুরি বৈঠকের পর সংস্থাটি এই ঘোষণা দেয়
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে সংস্থাটির প্রধান টেড্রস আধানম গ্যাব্রিয়েসুস বলেন: জরুরি অবস্থা ঘোষণার কারণ চীনে যা ঘটছে তা নয়। বরং অন্যান্য দেশে এটা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা। উদ্বেগের বিষয় লো, যেসব দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ততোটা উন্নত নয় সেসব দেশে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে।
করোনা ভাইরাসে চীনে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ২১৩ জন মারা গেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ১৮টি দেশে ৯৮ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তাদের কারো মৃত্যু হয়নি। চীনের উহান প্রদেশ থেকে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ছড়ায়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, জার্মানি, জাপান, ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রে মানব দেহের মাধ্যমে ছড়িয়েছে এমন ১৮টি ঘটনা পাওয়া গেছে।
জেনেভার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে টেড্রস ভাইরাসটিকে “অভূতপূর্ব প্রাদুর্ভাব” হিসাবে বর্ণনা করেন।
এই সময় তিনি ভাইরাসের বিস্তাররোধে চীন কর্তৃপক্ষ যে ‘অসাধারণ ব্যবস্থা’ গ্রহণ করেছে তার প্রশংসা করে বলেন, এর জন্য চীনে ভ্রমণ বা বাণিজ্য সীমাবদ্ধ করার কোনো কারণ নেই। আমি স্পষ্ট করে বলি, এই ঘোষণা চীনের প্রতি অবিশ্বাসের ব্যাপার নয়।
তবে চীনের করোনা ভাইরাস বিশ্ব অর্থনীতিকে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন করবে বলে উল্লেখ করেছে লন্ডনভিত্তিক পত্রিকা দ্য ইকোনোমিস্ট।
বুধবার পত্রিকাটিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন প্রকাশ করা হয়।
হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানের একটি বন্য প্রাণীর বাজার থেকে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসের আতঙ্কে ভুগছে সমগ্র বিশ্ব। ভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপক আকার ধারণ করার পর চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে প্রদেশটির সঙ্গে অন্য এলাকার সব ধরনের পরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে সেখানকার প্রায় ৬ কোটি মানুষ প্রায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন জানিয়েছে, দেশটিতে বুধবার (২৯ জানুয়ারি) পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৭১১ জন।








