তিনি শুধু পরিশ্রম করেন, বাকিটা সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ। টি-টুয়েন্টিতে ৭ রানে ৬ উইকেট নিয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর এভাবেই নিজেকে ব্যাখ্যা করেছেন দীপক চাহার। ম্যাচ এবং সিরিজ সেরার পুরস্কার নিতে গিয়ে চাহার বলেন, ‘আমি স্বপ্নেও ভাবিনি, এমন পারফরম্যান্স করব। আমার একটাই মন্ত্র, ছোটবেলা থেকেই কঠিন পরিশ্রম করে যাওয়া। বাকিটা সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ।’
রোববার চাহারের বোলিংয়ে তোপে তৃতীয় তথা শেষ টি-টুয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশকে ৩০ রানে হারিয়ে সিরিজ জিতে নেয় ভারত।
ম্যাচ শেষে রোহিত শর্মাকে আলাদা করে ধন্যবাদ দিয়েছেন চাহার, ‘রোহিত ভাই আমায় গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বল দেবে বলে দিয়েছিল। দল ম্যানেজমেন্টেরও সেটাই ভাবনা ছিল। আমি নিজেকে সেভাবে তৈরি রেখেছিলাম। ভালো লাগছে, দলের কাজে লাগতে পেরে।’
ছেলেদের মধ্যে প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টি-টুয়েন্টিতে হ্যাটট্রিক করেছেন চাহার। তারপরেও কেন এত কম উচ্ছ্বাস? হেসে চাহারের উত্তর, ‘আসলে ওভার শেষের জন্য অপেক্ষা করি। প্রত্যেক বলের পরেই ভাবি, এর পরের বলটায় কিন্তু ব্যাটসম্যান আমাকে ছক্কা মেরে দিতে পারে। তাই সংযত থাকি।’
২০০৮ সালে এই দীপক চাহারকেই বাতিল করে দিয়েছিলেন তখনকার কোচ গ্রেগ চ্যাপেল। মাত্র ১৮ বছরে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেকেই হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ১০ রানে ৮ উইকেট নিয়ে চমকে দিয়েছিলেন তিনি। রাজস্থানের পরপর দু’বার রঞ্জি জয়েও বড় ভূমিকা ছিল চাহারের। ধারাবাহিক ভালো খেলার রহস্যে কঠোর পরিশ্রমকেই বারবার সামনে এনেছেন তিনি।








