উৎসবমুখর পরিবেশে মাত্র ৭শ’২০ টাকা জমা দিয়েই একদিনের মধ্যেই পল্লীবিদ্যুতের সংযোগ পাচ্ছেন পাশের এলাকা জিঞ্জিরার মানুষ। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর এলাকা জিঞ্জিরায় পল্লী বিদ্যুতের সংযোগে নিতে ঘুষ, দালাল চক্র, আর হয়রানি বন্ধে সারাদেশেই তাৎক্ষণিক সংযোগ দেওয়ার এমন কার্যক্রম চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।
জনবহুল এলাকা জিঞ্জিরায় নির্বাচনী কেন্দ্রের মতো উৎসবমুখর পরিবেশে স্পট মিটারিং কার্যক্রমে সব কম্পিউটারের সামনে সংযোগ আগ্রহীদের ভিড়। ভোটার আইডি কার্ড, জমির দলিলের কপি আর একশ’ টাকা জমা দিয়ে অনলাইনে তাৎক্ষণিকভাবে চলছে আবেদন ফর্ম পূরণ।
বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে আগ্রহীদের একজন জানান, ‘আমি একশ টাকা সাথে ভোটার কার্ড ও জমির পর্চা জমা দিয়েছি। আজই সংযোগ পাবো বলে জানানো হলো। পূরণ করা আবেদনের সঙ্গে আর ৬শ’ ২০ টাকা জমার পর কয়েক টেবিল ঘুরেই চূড়ান্ত হয়ে যাচ্ছে সংযোগের কাগুজে প্রক্রিয়া। এখানে ৬০০ টাকা জমা এবং লেখার জন্য ২০ টাকা। আমাদের জানানো হচ্ছে আজই মিটার লাগিয়ে দেওয়া হবে।’
এরপর দেয়া হচ্ছে অনুমোদনের চূড়ান্ত কাগজ। আর সংযোগ সামগ্রী নিয়ে গ্রাহকের দরজায় বিদ্যুৎকর্মীরা। সংযোগের সঙ্গে লেগে যাচ্ছে ডিজিটাল মিটারও।
এ উদ্যোগে হতবাক এক সংযোগ-আগ্রহী জানান, ‘১২ টার সময় টাকা জমা দিয়েছি, এখন ১টার সময় এসে দেখি আমার বাসায় মিটার লাগানো হচ্ছে। এ যেনো স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে।’
আবেদনের তুলনায় কম জনবলে একদিনেই সবাই সংযোগ না পেলেও এভাবে ৪ দিনে পাঁচ হাজার সংযোগ দেওয়া হবে।
ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জিএম রবিউল হক সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘দোহার এবং নবাবগঞ্জেও আমরা আশাকরি ৫ থেকে ৭ হাজার স্পট মিটারিং করতে পারবো। তৃতীয় কোনো পক্ষ এখান থেকে সুবিধা নিতে পারবে না। যদিও আমাদের লোকবল কম থাকায় সংযোগ দিতে ৩ থেকে ৪ দিন লেগে যেতে পারে। যারাই আবেদন করবে তাদের আবেদনপত্র নিয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে তাদের সংযোগ দেওয়া হবে।’
গতমাসে সারাদেশে ৩ লাখ ৪২ হাজার নতুন সংযোগ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার গ্রাহকরা এখন দ্রুত বিদ্যুৎ পেলেও তখন তাদের বেশিরভাগই বিদ্যুৎ সংযোগ পান নি।







